Sunday, 1 March 2020

নারী সাংবাদিককে অপহরণের চার দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার পুলিশ!!



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মরিয়ম খানমের ফেইসবুকের মেসেঞ্জারে একটা যুবক জোরপূর্বক সাংবাদিক মরিয়ম খানমের সাথে সম্পর্ক করতে চাচ্ছিলেন মরিয়ম খানম সেই সম্পর্কে রাজি না হওয়াতে মরিয়ম খানমকে ব্লেকমেল করতে তার নামে একাধিক ফেইসবুক ফেইক আইডি দিয়ে তার ফটো কাটছিট করে মরিয়ম খানমের নামে বদনাম রটানো শুরু করলে মরিয়ম খানমকে দিয়ে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানায় ১১ই নভেম্বরে একটি জিডি দায়েল করতে লোহাগাড়া থানায় পাঠালে ওসি সাইফুল ইসলামকে সাংবাদিক মরিয়ম খানম ওসির মুঠোফোন ফোন দিলে পরে বলে যে ওসি সাইফুল থানায় নেয় বাহিরে আছে তার প্রায় ঘন্টা খানিক পরে মরিয়ম খানম ওসি সাইফুলকে থানা থেকে বেড়িয়ে পুলশের গাড়িতে উঠে যেতে দেখলে মরিয়ম ওসিকে সমস্যার কথা বলে জিডি করতে বলাতে জিডি না নিয়ে উল্টো মরিয়ম খানমকে বলেন যে আপনার দুই দিন পর পর সব সমস্যা নিয়ে আসেন বলে সাংবাদিক মরিয়ম খানমের জিডি না নিয়ে ওসি তার কাজে গাড়িতে করে চলে যায়।

১২ই নভেম্বরে ওসিকে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান ফোন করে জিডি নিতে বলেন পরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার থানার কিছু সাংবাদিক দিয়ে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান জুয়েল খান্দকার জিডি করান। তার ২/৩ দিন পরে মরিয়মকে উত্ত্যক্তকারীদের ৩ জনের ফটো ও তাদের ফেইচবুক আইডি সহ ৭টি ফোন নাম্বার ওসির কাছে পাঠানো হয়। ওসি সাইফুল সেই রিপোর্ট গুলি নিয়ে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যানকে ব্যক্তিকে ধরার আশ্বাস প্রধান করেন।

সেই জিডির তদন্তের ভার দেন এএসআই অজয়কে অজয় ১৫ দিনের মতো রাখে সে এই জিডির ভার দিয়ে যার চন্দন সাহাকে সেও কিছু দিন রেখে আবার এই জিডি এএসআই বেলাললে হস্থান্তর করে দেয় পরে এএসআই বেলাললে সংবাদ টিভির অফিস থেকে ফোন দিলে প্রথমে দেখছি বলেন পরে কল রিসিভ করেন না, এর মাঝে আবার ওসি সাইফুল বদলি হয়ে যায় অন্য থানায় দায়ীত্ব দিয়ে যায় ওসি জহিরকে সেও একি অবস্থা। পরে জানতে পারা যায় সাংবাদিক মরিয়ম খানমের চাচাতো বোন তার প্রেমিককে দিয়ে এই কাজ গুলি করিয়েছিলেন।

পরে এলাকায় বিচার সালিশের মাধ্যমে সাংবাদিক মরিয়ম খানমের চাচাদেরকে এলাকা ছাড়া করতে চাইছিলেন এলাকা বাসী পরে মরিয়মসহ তার বাবা তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। সেই ক্ষমাটাই যেন ছিল মরিয়মের জীবন বড় কাল।

সাংবাদিক মরিয়ম খানম গত ২৭শে ডিসেম্বরের আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে তার পার্ট টাইম জব কিন্টারগার্ডেন স্কুল শেষ বাড়ি ফেরার পরে একদন অপহরণ কারীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এই ব্যাপারে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যানকে সাংবাদিক মরিয়ম খানমের বাবা ফোনে জানালে তাকে লোহাগাড়া থানায় গিয়ে মামলা করতে বলা হয় মরিয়মের বাবা মামলা করতে গেলে মামলা না নিয়ে জিডি নেন ওসি জাকির হোসেন মাহমুদ পরে সাংবাদিক মরিয়ম খানমের বাবাকে বলে আজ শুক্রবার কোন প্রকারের কল ট্যাগ করে বাহির করা যাবেনা সেই সুবাদে আগামী শনিবার ছাড়া কিছু করা যাচ্ছেনা।

এই কথা মরিয়মের বাবা সংবাদ টিভির চেয়ারম্যানকে জানালে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান ওসি জাকির হোসেন মাহমুদকে কল দিলে একি করে বলে পরে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান জুয়েল খান্দকার ওসিকে বলেন যে মরিয়মের ফোন খোলা আর প্রত্যেক থানায় ফোন লোকেশন ট্যাগ করার জিপিএস থাকে তাইলে আপনাকে কেন ট্যাক করতেননা এই কথা বলাতে এক পর্যায়ে ওসি জাকির সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান এর উপরে চড়াও হয়ে যায় দু”জনের মাঝে এক প্রকারেদ ঝগড়ার মতো সৃষ্টি হয়ে যায় কেননা সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান বলেছিলেন যে আজকে যদি আপনার মেয়ে অপহরণ হতো তাইলে আপনি কি করতেন এর আগে আপনাকে থাকায় জিডি করে ৩ জনের ছবি ৭টি ফোন নাম্বার দেওয়া হলেও ৩ মাসে আপনারা কোন ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে পারেননি বলেন।

এই দিকে অপহরণ কারীরা বৃহস্পতি রাতে মরিয়মকে অপহরণ করে মরিয়ম খানমের বাবার ফোনে মরিয়ম খানম সেজে একটি এসএমএস পাঠায় যে ( আব্বু আমি বিয়ে করে ফেলেছি) এই কথা বলে ফোন সুইচ অফ করে দেয় পরে শুক্রবার সকালে মরিয়ম খানমের ফোন থেকে তার ফেইচবুক আইডিতে গট ম্যারিড বলে একটা স্ট্যাটাস দেন এতে সবাই একটা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায় শুক্রবার পরে শুক্রিবার বিকেলে সংবাদ টিভির পরিচালক শাহাজাদা বেলাল এর মেসেঞ্জার ও সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান জুয়েল খন্দকারের মেসেঞ্জারে সাংবাদিক মরিয়ম খানমকে জিম্মি করে তাকে দিয়ে ভয়েজ দেওয়ায় সে স্যার কেমন আছেন আমি যেখানে আছি ভাল আছি এখন জায়গার নামটা বলা যাচ্ছেনা তবে আমার মা বাবাকে বলবেন আমার জন্যে দোয়া করতে এতে মনে হয়েছিল যে মরিয়ম খানম হয়তো পালিয়ে নিয়ে করেছেন। কিন্তু শুক্রবার শেষে শনিবার সন্ধায় সাংবাদিক মরিয়ম খানম তার বাবার ফোনে ফোন দিয়ে বলেন আব্বু আমি বিয়ে করিনি আমাকে অপহরণ করা হয়েছে এই বলতে পাশ থেকে কেহ মরিয়মের উপরে টর্চার শুরু করেন সেই সময়ে মরিয়ম চিল্লাচিল্লি করেন আর হতভাগা বাবা নিরবে মেয়ের চিৎকার শুনছিলেন পরে ফোন দিলেন ওসি জাকিরকে।

ওসিকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে বলেন দেখছি বিষয়টি, পরে মরিয়ম খানমের বাবাকে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যানকে ফোন দিলে সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান জুয়েল খান্দকার ওসিকে কলদেন আবারো একি অজুহাত ওসি ঢাকা থেকে কল ট্যাগ এখনো আসেনি তখন সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান ওসি জাকিরকে বলে কল ট্যাগ আজ ২ দিন হলো আসেনি সাংবাদিক হত্যার পরে আসবে নাকি এই কথা বলায় ওসি আবারো চড়াও হয়ে নানান ভাষায় বলে কল কেটে দেয় পরে উপর মহলে ফোন দেন সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান ফোনের প্রেসারে পড়ে রাত প্রায় ২০ মিনিট পরে বলছেন আমি লোকেশন ট্যাগ করেছি সে বাকলিয়া থানার একটি বাড়িয়ে জিম্মি আছেন তার ফোন লোকেশন বলছে সেই বাড়িতে গেলে পড়ে মরিয়ম খানমকে পাওয়া যায়নি বরন এএসআই মাহাবুবুর ও মরিয়ম খানমের বাবা সহ গিয়ে দেখেন যে যেই বাড়ি লোকেশন ট্যাগ করেছে সেই বাড়ি ভাল ও ভদ্র একটি বাড়ি সেই বাড়িতে এমন কোন কিছু হয়নি তাহলে প্রশ্নো ওসি কি স্বপ্নে লোকেশন ট্যাগ করেছিলেন নাকি হুতাসে!

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: