Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

Wednesday, 8 April 2020

 এ পর্যন্ত ১৭ লাখ ১৮ হাজার ফোন এসেছে হটলাইনগুলোতে

এ পর্যন্ত ১৭ লাখ ১৮ হাজার ফোন এসেছে হটলাইনগুলোতে


করোনাভাইরাসের কারণে চালু করা হটলাইনগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ পর্যন্ত ১৭ লাখ ১৮ হাজারের বেশি ফোনকল এসেছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে করোনাভাইরাস বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদের পক্ষে ব্রিফ করেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা। আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। 

Tuesday, 7 April 2020

মৃতদেহে করোনাভাইরাস বাঁচে না, নির্ভয়ে দাফন-কাফন করুন

মৃতদেহে করোনাভাইরাস বাঁচে না, নির্ভয়ে দাফন-কাফন করুন


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিকে ধর্মীয় বিধি মোতাবেক নির্ভয়ে দাফন-কাফন বা সৎকার করতে বলেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 
সোমবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিকে নির্ভয়ে শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী দাফন-কাফন করুন। অন্যরাও নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্মের নিয়মানুযায়ী সৎকার করুন।’
তিনি বলেন, ‘মৃত ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস বাঁচতে পারে না, তার বৃদ্ধিও হয় না। মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রসারিত হয় না। মৃত ব্যক্তিকে ধর্মীয় মতে সাবান দিয়ে গোসল করালে করোনার প্রসার বন্ধ হয়।’
গো নিউজ২৪/আই

Sunday, 5 April 2020

বাংলাদেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ১৮ জন, মোট ৮৮

বাংলাদেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ১৮ জন, মোট ৮৮


দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৮ জনে।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
এদিকে বিশ্বে এখন পর্যন্ত ১২ লাখ ১ হাজার ৯৩৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৪ হাজার ৭২০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৩৪ জন।
এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৫৭। সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৮ হাজার ৪৫২ জন।
আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয়স্থানে স্পেন। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৮ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৯৪৭ জন।
মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৫ হাজার ৩৬২ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩২ জন।
আক্রান্তের সংখ্যায় এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও ফ্রান্স। আক্রান্তের সংখ্যা হিসাবে শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে নেই চীন। এই সংখ্যার হিসাবে তাদের অবস্থান এখন ছয়ে।

Thursday, 2 April 2020

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী‌ শেখ হাসিনা'র ৩১ দফা নির্দেশনা:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী‌ শেখ হাসিনা'র ৩১ দফা নির্দেশনা:


প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ 
১) করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
২) লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
৩) পিপিই সাধারণভাবে সকলের পরার দরকার নেই। চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ
সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
৪) কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সকল চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, এ্যাম্বুলেন্স চালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে।
৫) যাঁরা হোম কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে আছেন, তাঁদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে।
৬) নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।
৭) নদীবেস্টিত জেলাসমূহে নৌ-এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮) অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে হবে।
৯) পরিচ্ছন্নতা নিশ্চত করা। সারাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
১০) আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় এ দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ সকল সরকারি কর্মকর্তাগণ যথাযথ ও সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন- এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
১১) এাণ কাজে কোন ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।
১২) দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক যেন অভুক্ত না থাকে। তাদের সাহায্য করতে হবে। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে।
১৩) সোশ্যাল সেফটিনেট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
১৪) অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেন স্থবির না হয়, সে বিষয়ে যথাযথ নজর দিতে হবে।
১৫) খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কোন জমি যেন পতিত না থাকে।
১৬) সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে। যাতে বাজার চালু থাকে।
১৭) সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে ।
১৮) জনস্বার্থে বাংলা নববর্ষের সকল অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে যাতে জনসমাগম না হয়। ঘরে বসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নববর্ষ উদযাপন করতে হবে।
১৯) স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজের সকল স্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রশাসন সকলকে নিয়ে
কাজ করবে।
২০) সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
২১) জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসন ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে দুঃস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবেন।
২২) সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন: কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর, রিক্সা/ভ্যান চালক, পরিবহন শ্রমিক, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, পথশিশু, স্বামী
পরিত্যক্তা/বিধবা নারী এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখাসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
২৩) প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২৪) দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সকল সরকারি কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
২৫) নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও নিয়মিত বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
২৬) আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করবেন না। খাদ্যশস্যসহ প্রয়োজনীয় সকল পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
২৭) কৃষকগণ নিয়মিত চাষাবাদ চালিয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে।
২৮) সকল শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখবেন।
২৯) শিল্প মালিকগণ শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন।
৩০) গণমাধ্যম কর্মীরা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
৩১) গুজব রটানো বন্ধ করতে হবে । ডিজিটাল প্লাটফর্মে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। গুজবে কান দিবেন না এবং গুজবে বিচলিত হবেন না।
বাড়ি ভাড়া, ঋণ ও বিদ্যুৎ বিল স্থগিতের সিদ্ধান্ত গুজব

বাড়ি ভাড়া, ঋণ ও বিদ্যুৎ বিল স্থগিতের সিদ্ধান্ত গুজব


অনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩১ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তবে বাড়ি ভাড়া, ব্যংক লোন ও বিদ্যুৎ বিল স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার।
বাড়ি ভাড়া মওকুফ, ব্যাংক লোন ও বিদ্যুৎ বিল তিন মাসের জন্য স্থগিত, সকল অফিসে এক মাসের ছুটি সংক্রান্ত যে গুজবটি ফেসবুকে ভাইরাল করা হচ্ছে তা পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।
তিনি বলেন, যারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন তা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গৃহীত পদক্ষেপ নিজেই অথবা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানাবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

Sunday, 29 March 2020

আজও দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি

আজও দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি



অনলাইন ডেস্ক : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর)।
রোববার বেলা ১২টার দিকে আইইডিসিআর -এর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এক লাইভ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।
মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, এর আগে দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত ছিলেন ৪৮ জন। তাদের মধ্যে মোট ১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তারা সবাই মৃদু আক্রান্ত ছিলেন। সুস্থদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের কারো শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো সংক্রমণ পাওয়া যায়নি।
ব্রিফিংয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে নাগরিকদের করণীয়ও তুলে ধরেন তিনি।
গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাসটি। এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৬৪ হাজার ২২১ জন এবং মারা গেছেন ৩০ হাজার ৮৮৮ জন। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৪২ হাজার ৩৬৩ জন।
বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। করোনার বিস্তাররোধে দেশের সব স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর।
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব বিপণিবিতান। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আদালতও। এমনকি একাধিক এলাকাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশের সব জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

Saturday, 28 March 2020

করোনা চিকিৎসায় ২৫০ ভেন্টিলেটর রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনা চিকিৎসায় ২৫০ ভেন্টিলেটর রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের চিকিৎসা দেয়ার জন্য ২৫০ ভেন্টিলেটর রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. জাহিদ মালেক। রোববার (২৯ মার্চ) অনলাইনে সংবাদ সম্মেলেন তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে আরও ৩০০ ভেন্টিলেটর নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য ইতোমধ্যে ৩ লাখ পিছ পিপিই (পারসোনাল প্রোটেকশন ইকুপমেন্ট) দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগেও অনেক পিপিই দেয়া হচ্ছে।
জাহিদ মালিক বলেন, সর্দি বা কাশি হলেই সে করোনা আক্রান্ত এ কথা ঠিক নয়। আপনারা চিন্তিত না হয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেন।বাংলাদেশে নতুন করে কারো দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২টার কিছুক্ষণ পরে রাজধানীর মহাখালী থেকে অনলাইনে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের কারো দেহে করোনা শনাক্ত হয়নি। যারা চিকিৎসাধীন ছিলেন তাদের মধ্যে ১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখনও চিকিৎসাধীন ২৮ জন।
অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন  ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪০ জন। মারা গেছেন ৩০ হাজার ৮৭৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ১৮৩ জন।
বর্তমানে ৪ লাখ ৯০ হাজার ৬৭৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৭ জনের অবস্থা স্থিতিশীল এবং ২৫ হাজার ২০৭ জনের অবস্থা শঙ্কটাপন্ন।
সূত্রঃ সময় টিভি    

Friday, 27 March 2020

নোট-গাইডের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে অনলাইনে তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয়

নোট-গাইডের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে অনলাইনে তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয়


শিক্ষা ডেস্ক।
প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বেআইনিভাবে গাইড, নোট বই ও শিক্ষা সহায়িকা পড়ানো বা বিক্রিতে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রমাণসহ অনলাইনে অভিযোগ দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ ধরনের বই ব্যবহার থেকে বিরত থাকারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক ১ম হতে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকের বাইরে সব ধরনের গাইড/নোট বই/শিক্ষা সহায়িকা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রচিত ও প্রকাশিত বিভিন্ন গাইড/নোট বই/শিক্ষা সহায়িকা বাজারে পাওয়া  যাচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের দ্বারা ছাত্র-ছাত্রীদের তা ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নোট ও গাইড বই পড়া থেকে বিরত থাকতে বিশেষ অনুরোধ করা হলো।
পরিপত্রে অনলাইনে অভিযোগ দাখিল বিষয়ে বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদি  কোনো কর্মকর্তা/শিক্ষক/ ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান এরূপ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে প্রমাণসহ অনলাইনে (www.grs.gov.bd) অভিযোগ দাখিলের জন্য অনুরোধ করা হলো।