Tuesday, 7 April 2020

করোনা আক্রান্ত স্বামীর পাশে সারাক্ষণ থাকা স্ত্রীর করোনা নেগেটিভ!

করোনা আক্রান্ত স্বামীর পাশে সারাক্ষণ থাকা স্ত্রীর করোনা নেগেটিভ!


করোনাভাইরাস পজিটিভ নিয়ে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি রংপুরের সেই শ্রমজীবী ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার পরেও তার স্ত্রীর শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি মেলেনি। ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাসপাতালে এক সপ্তাহ ধরে অবস্থান করছিলেন তার স্ত্রী। সেখানে কোনো সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই স্বামীর সেবা করেছেন তিনি।
এরপরেও পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ আসার ঘটনাটিকে মিরাকল বলে অভিহিত করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বগুড়ার একমাত্র আক্রান্ত ওই ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ার পর রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরামর্শে তার স্ত্রীর নমুনা সংগ্রহ করে গত রোববার রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। সোমবার রাতে নমুনার রেজাল্ট পাওয়া যায়।
মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, করোনা রোগীর সংস্পর্শে থাকা তার স্ত্রীর শরীরে করোনার কোনো উপস্থিতি মেলেনি। এটা মিরাকল বলা চলে। কারণ ওই নারী এক সপ্তাহ ধরে স্বামীর পাশে থেকে সেবা করেছেন।
আর হাসপাতালে রোগীর সংস্পর্শে আসা আরও একজন তার মেয়ে জামাইকে রংপুরের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখায় তার নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, রংপুরের সেই শ্রমজীবী ব্যক্তির করোনা পজিটিভ হলেও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
করোনার সংক্রামণ শুরু হলে গত ২৯ মার্চ রাতে একটি ট্রাকে চড়ে রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে রংপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। ট্রাকে আরও ১৫ থেকে ২০ জন মানুষ ছিলেন। পথে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট শুরু হলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এমন আতঙ্কে ওই ব্যক্তিকে ভোররাতে বগুড়ার শিবগঞ্জের মহাস্থান বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দেয়া হয়।
দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকার পর পুলিশের সহযোগিতায় একটি রিকশাভ্যানে তাকে প্রথমে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদিন রাখা হয়। পরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশনে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।
নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। বগুড়ায় তিনিই একমাত্র করোনা পজিটিভ রোগী। ওই রোগীর শরীরে করোনা পজিটিভ আসার পর চিকিৎসার প্রয়োজনে সংস্পর্শে আসা বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের প্রধানসহ ৫ চিকিৎসক ও ৮ নার্স এবং অন্যান্য মিলে মোট ১৬ জনকে গত শুক্রবার থেকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
এছাড়া বাসস্ট্যান্ডে ওই রোগীকে ওষুধ খাওয়াতে গিয়ে সংস্পর্শে আসা স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বগুড়া পর্যন্ত বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চালককেও কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সেই ট্রাকের এখনও কোনো হদিস মেলেনি। স্থানীয় প্রশাসন ট্রাকের সন্ধান করার পাশাপাশি ওই ভ্যানচালককেও খুঁজছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলমগীর কবির বলেন, হাসপাতালের সিসিটিভি দেখে ভ্যানচালককে শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ। কিন্তু কোনো কিছুতেই তার হদিস মিলছে না। আবার যে ট্রাকে চড়ে তিনি ঢাকা থেকে মহাস্থান বাসস্ট্যান্ডে এসেছেন, তাকেও শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
সূত্র জাগো নিউজ  
মাতামুহুরী নদীর পানিতে ডুবে ২ ছাত্রীর মৃত্যু

মাতামুহুরী নদীর পানিতে ডুবে ২ ছাত্রীর মৃত্যু


নিজস্ব প্রতিবেদক:
চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীর পানিতে ডুবে দুই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের লোটনী সংলগ্ন হাজিয়ানস্থ মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধের বালির পয়েন্ট এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন -কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার আবদুল মোনাফের কন্যা ইসমা জন্নাত (১৩) ও একই এলাকার শামসুর রহমানের কন্যা আসমাউল হুসনা (১০)। তারা দুইজনই স্থানীয় মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী। ইসমা জন্নাত অষ্টম শ্রেণী ও আসমা পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, এলাকার কিছু বালুদস্যু দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়াভাবে মাতামুহুরী নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছে। তাদের কারণে নদীর কিনারে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। সৃষ্ট ওই গর্তে পড়েই দুই ছাত্রীর করুণ মৃত্যু হয়েছে।
কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের ৩নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুর মোহাম্মদ চৌধুরী মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ইসমা জন্নাত ও আসমাউল হুসনাসহ ৪-৫ জন দলবদ্ধভাবে মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নামে। ওই সময় দুইজন পানিতে তলিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর একজনের মৃতদেহ ভেসে ওঠে।
খবর পেয়ে স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন গিয়ে কিছুক্ষণ পরে অপরজনকে উদ্ধার হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, কাকারা দক্ষিণ লুটনি এলাকার বাসিন্দা জিয়াউর রহমান জানান, ফরিদুল আলম ও আবদুল মান্নান নামের দুই ব্যক্তির নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মাতামুহুরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগও করা হয়েছিল। বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আগেভাগে ব্যবস্থা নিলে হয়তো এমন দুর্ঘটনাটি ঘটতো না।
ইজারাবিহীন বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা।
মৃতদেহে করোনাভাইরাস বাঁচে না, নির্ভয়ে দাফন-কাফন করুন

মৃতদেহে করোনাভাইরাস বাঁচে না, নির্ভয়ে দাফন-কাফন করুন


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিকে ধর্মীয় বিধি মোতাবেক নির্ভয়ে দাফন-কাফন বা সৎকার করতে বলেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 
সোমবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিকে নির্ভয়ে শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী দাফন-কাফন করুন। অন্যরাও নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্মের নিয়মানুযায়ী সৎকার করুন।’
তিনি বলেন, ‘মৃত ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস বাঁচতে পারে না, তার বৃদ্ধিও হয় না। মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রসারিত হয় না। মৃত ব্যক্তিকে ধর্মীয় মতে সাবান দিয়ে গোসল করালে করোনার প্রসার বন্ধ হয়।’
গো নিউজ২৪/আই
রোজার ঈদের ছুটি পর্যন্ত বন্ধ হচ্ছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

রোজার ঈদের ছুটি পর্যন্ত বন্ধ হচ্ছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান


করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ছে। রমজান মাস শুরুর আগের দিন পর্যন্ত (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে রমজান শুরু ২৫ এপ্রিল) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হবে। ফলে এর সঙ্গে যুক্ত হবে পবিত্র রমজান মাসের ছুটি। সব মিলিয়ে ঈদের ছুটি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ও একই সিদ্ধান্ত নেবে। শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দেশে সাধারণ ছুটি থাকছে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এই সময় পর্যন্ত সরকারি অফিস-আদালতের পাশাপাশি সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে দিন দিন করোনাভাইরাসের বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় এটি মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঈদের ছুটি পর্যন্ত বন্ধের ঘোষণা করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রমজানের ছুটির আগের দিন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। তারপর রমজানের ছুটি শুরু হবে। সেই হিসেবে ঈদ পর্যন্ত বন্ধ থাকছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ছুটি বাড়িয়ে ঈদের ছুটি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে।’

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। তারা সিদ্ধান্ত নিলে একই সিদ্ধান্ত আমরা নেবো।’

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৫ এপ্রিল (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) পবিত্র রমজান শুরু হবে।  সেই হিসেবে রমজান শুরুর দিন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হবে। তারপর শুরু হবে রমজানের ছুটি।  ফলে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ঈদের ছুটির পর।

তবে দীর্ঘ ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস অব্যাহত থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির ভিডিও ক্লাস কিশোর বাতায়নে এবং ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হবে। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের শ্রেণি কার্যক্রম আয়ত্ত করবে। আর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে সংসদ টিভিতে ভিডিও শ্রেণি কার্যক্রম প্রচার করা হবে।
শুধু ‘মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ’ মাকিন্দে

শুধু ‘মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ’ মাকিন্দে


শুধু ‘মধু ও কালোজিরা’ খেয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন নাইজেরিয়ার ওয়ো রাজ্যের গভর্নর সেয়ী  মাকিন্দে। করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে ফিরে সোমবার (৬ এপ্রিল) এমনই তথ্য দিয়েছেন তিনি। 
করোনা আক্রান্ত থেকে সুস্থ হওয়া মাকিন্দে জানান, শুধু কালোজিরা আর মধু খেয়েই তিনি করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন। তিনি পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হওয়ার এক সপ্তাহে কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেন। 
প্রিমিয়াম টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাকিন্দে  টুইটারে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। ইবাদানের ফ্রেশ এফএম-এ এক অনুষ্ঠানের সময় টেলিফোন সাক্ষাত্কারে মি. মাকিন্দে বলেছিলেন যে তিনি মধু, ভিটামিন সি এবং ব্ল্যাকসিড অয়েল ব্যবহার করেছেন।
মাকিন্দে অনুষ্ঠানে বলেন, ওয়ো রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা বোর্ডের নির্বাহী সচিব ড. মাইদেন ওলাতুনজি আমার হাতে কালোজিরা তুলে দেন। তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে দেন তিনি। সেগুলো খেয়ে আমি এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পােই। 
করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি আইসোলেশন ছিলেন। করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। অবশেষে তিনি জয়ী হলেন। শুধু কালোজিরা আর মধু খেয়েই তিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। করোনার হাত থেকে বাঁচতে শরীরের ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার উপাদান আমাদের হাতেই রয়েছে।
মাকিন্দে আরো বলেন, কালোজিরা আর মধুর মিশ্রণটি সকালে একবার ও সন্ধ্যায় একবার খেতে বলেন মাইদেন। আমি সেই উপদেশ মেনে চলেছি। আমি এখন ঠিক আছি। সুস্থ অনুভব করছি। আমি এখন করোনা মুক্ত। আমি বলতে চাই, করোনার এই সময়ে আতঙ্কিত হলে চলবে না। চিকিৎসকের উপদেশ মেনে চললে অতি দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়। সুতরাং, অনাক্রম্যতা বাড়ানোর স্থানীয় সমাধান রয়েছে। আমাদের লোকদের হতাশ করা উচিত নয়। আমি যেমন আমার সিস্টেম থেকে ভাইরাসকে বের করতে সক্ষম হয়েছি, তেমনি এটি আমাদের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেও বের করা সম্ভব হবে।’
সূত্র: প্রিমিয়াম টাইমস
ত্রাণ দিয়ে ছবি তুলে তারপর কেড়ে নেন হাটহাজারীর ইউপি চেয়ারম্যান আবছার

ত্রাণ দিয়ে ছবি তুলে তারপর কেড়ে নেন হাটহাজারীর ইউপি চেয়ারম্যান আবছার

রয়েছে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট সংকটের মধ্যে মানবিক আবেদনে অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।
এমন অবস্থায় অসহায় ও কর্মহীন ২৬টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছিলেন হাটহাজারীর এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান। ত্রাণ বিতরণকালে ছবি তোলার পর ওই ২৬টি পরিবারের কাছ থেকে সেই ত্রাণসামগ্রী কেড়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন অসহায় পরিবারের সদস্যরা। বাংলানিউজ
মারধরের শিকার পরিবারগুলো এ ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছারকে।
অভিযুক্ত নুরুল আবছার হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন জানান, মির্জাপুরের চেয়ারম্যান ত্রাণের কথা বলে লোকজনকে পরিষদে নিয়ে যান। তাদের ত্রাণ দেওয়ার পর তা আবার কেড়ে নেন। অসহায় ২৬টি পরিবারের লোকজন উপজেলা পরিষদে এসে কান্নাকাটি করতে থাকেন। পরে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ত্রাণ দেওয়া হয়।
মারধরে আহত কয়েকজন জানান, সোমবার সকালে ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে শতাধিক ব্যক্তিকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান চেয়ারম্যান। এ সময় চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ও তার লোকজন ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে ছবি তোলেন।
ছবি তোলার পর চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মিজানুর রহমান টিপু ও তার লোকজন বিতরণ করা ত্রাণগুলো কেড়ে নেয়। এর প্রতিবাদ করায় তারা সবার ওপর হামলা করেন। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২৬টি পরিবারকে ত্রাণ দেন।
মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশালে ৭ বছরের জেল: আইন অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশালে ৭ বছরের জেল: আইন অনুমোদন মন্ত্রিসভায়


‘মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০ এর খাসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। খসড়ায় রফতানি বা অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মৎস্য বা মৎস্যপণ্য বাজারজাত করলে শাস্তি অনধিক সাত বছরের জেল বা পাঁচ লাখ টাকা জারিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) গণভবনে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদিত আইনের খসড়া অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি রফতানি বা অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মৎস্য বা মৎস্যপণ্য বাজারজাত করলে শাস্তি অনধিক সাত বছর, কিন্তু পাঁচ বছরের নিচে নয়, কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এর আগে এক্ষেত্রে শাস্তি ছিল ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জারিমানা বা উভয় দণ্ড।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের মৎস্য ও মৎস্যপণ্যের রফতানি বাজার ধরে রাখা এবং নতুন বাজারে অনুপ্রবেশ, মানসস্পন্ন মৎস্য ও মৎস্যপণ্য আমদানি-রফতানি ও অভ্যন্তরীণ বাজারে বাজারজাতকরণের জন্য এ সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশটিকে প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও রহিতক্রমে বাংলা ভাষায় আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৯ মার্চ ‘মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৯ এর খাসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা কমিটি। এরপর লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগ কর্তৃক আইনটির ভেটিং কার্যক্রম শেষ করে আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপিত হলে চূড়ান্ত অনুমোদ দেয়া হয়।
আমার করোনা হয়নি- স্ট্যাটাস দেয়া ঢাবি শিক্ষার্থীর চিরবিদায়

আমার করোনা হয়নি- স্ট্যাটাস দেয়া ঢাবি শিক্ষার্থীর চিরবিদায়


আমার করোনা হয়নি, অথচ পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনা জন্য আমার মরে যেতে হবে- গত ২৬ মা’র্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমনটাই জানিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন চাকমা। গতকাল  সোমবার ঠিকই ওই শিক্ষার্থী চিরবিদায় নিলেন। জানা যায়, ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন সুমন। সম্প্রতি তার ফুসফুসজনিত রোগও বেড়েছিল। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরীক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসা জন্য বিভিন্ন হাসপাতালের দ্বারাস্থ হন তিনি। কিন্তু চিকিৎসা নিতে পারেননি।

সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ২২তম ব্যাচের। জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

এদিনের সুমনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন তার সহপাঠিরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, অনেকদিন ধরেই সুমন ফুসফুসজনিত রোগে ভুগছিলেন এবং গত কয়েকদিন তার শারীরীক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা নিতে পারেননি। তিনি বলেন, করোনা আতঙ্কে পরিস্থিতি এমন একটা পর্যায়ে ঠেকেছে যে, সাধারণ রোগীদেরকেও চিকিৎসা দিতে ভয় পাচ্ছেন ডাক্তাররা। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাঁর বিদেহী আত্মা’র শান্তি কামনা করছি।

তার এক বন্ধু ফেসবুকে লিখেছেন, সুমন সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখত। একদিন হঠাৎ তার শরীরে ক্যান্সার ধরে পড়ে। ভারতে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেও এসেছিলো। ফেরার পর একদিন আমাকে সে জানায়, ‘ভাই আমি আবারও DURS এ কাজ শুরু করতে চাই’। আমি সাথে সাথে তাকে ফোন করে কাজ শুরু করতে বলি, স্বাগত জানাই।

‘গত কয়েকদিন আগে সে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়, আমার ‘করোনা হয়নি। অথচ পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনার কারণেই আমাকে মারা যেতে হবে’। ঠিকই, সুমন আর নেই! করোনা নয়, আগের হওয়া ক্যান্সারেই তার জীবন গেছে। জীবন করেনি তাকে ক্ষমা হায়! তোমার অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত আম’রা, ওপারে ভালো থাকো ভাই! এছাড়া কিইবা আর চাওয়ার আছে!

এদিকে আজ প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে তার চিকিৎসায় ডাক্তারদের গাফিলতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সিবিএন
একদিনেই শনাক্ত ৪১, মৃত ৫

একদিনেই শনাক্ত ৪১, মৃত ৫


গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং পাঁচজন মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
এসময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় মোট ৭৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া করোনা ভাইরাসের হটলাইনে ভাইরাস সম্পর্কিত কল এসেছে ৫৯ হাজার ৫৯৫টি।
এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৭৪ হাজার ৬৯৭ জন। আর এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৬ জনের শরীরে।
এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯৫ জন।
ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪ জনের শরীরে। সেখানে মারা গেছেন ১০ হাজার ৮৭১ জন।
স্পেনে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৭৫ জন এবং মারা গেছেন ১৩ হাজার ৩৪১ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৭ জন এবং মারা গেছেন ১৬ হাজার ৫২৩ জন।

Monday, 6 April 2020

ঈদগাঁও কলেজ গেইটে যাযাবরদের নিয়ে চরম আতংকিত এলাকাবাসী

ঈদগাঁও কলেজ গেইটে যাযাবরদের নিয়ে চরম আতংকিত এলাকাবাসী


নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও::
সদরের ঈদগাঁও কলেজ গেইটের উত্তর-দক্ষিন পাশে অবস্থানকৃত যাযাবর (বেদী সম্প্রদায়)কে নিয়ে চরমভাবে আতংকিত রয়েছেন স্থানীয়রা।
বিগত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এরা অবস্থান করছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ওরা রাত্রিকালে তাদের তৈরীকৃত ঝুপড়ী ঘরে অবস্থান করলেও দিনের বেলায় পাড়া মহল্লায় চষে বেড়াচ্ছেন।
তাদের সাথে নিত্যনতুন মানুষের আনাগোনা বৃদ্বি পাচ্ছে। এই যাযাবরের কারনে স্থানীয় লোকজন, মুসল্লীসহ ব্যবসায়ীরা প্রতিক্ষনে প্রতিমুহুতেই আতংকিত রয়েছেন। এদেরকে নিরাপদ স্থানে সরানোর দাবীও উঠেছে। বর্তমানে এই সম্প্রদায় স্থানীয় লোকজনের সাথে মিশে যাচ্ছে। অন্যদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার কঠোরভাবে কড়াকড়ি করলেও এদের বিচরন থেমে নেই। নিরাপদে অবস্থান করা,অপ্রয়োজনে বাইরে ঘুরাফেরা না করা,দুরত্ব বজায় রাখার কথা থাকলেও এই যাযাবর গোষ্টি তাদের কর্ম কান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। যার কারনেই করোনা ভাই রাস আতংক কাটছেনা স্থানীয়দের মাঝে।
এদিকে মানবাধিকারকর্মী ও শিক্ষানুরাগী আবদু সালাম জানিয়েছেন,এ যাযাবরদেরকে জনবহুল স্থান থেকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হউক। তাদের কারনে স্থানীয়দের মাঝে আতংক কাট ছেনা।
অন্যদিকে স্থানীয় চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঈদগাহ নিউজ
ছাতকে প্রবাসীর উদোগে  ২শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ছাতকে প্রবাসীর উদোগে ২শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ছাতকে প্রবাসির উদ্যোগে ২শ পরিবারে চাল, ডাল, আলু, পেয়াজ ও সোয়াবিন ‌তৈল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার ছৈলা আফজলাবাদ ইউনিয়নের শিবনগর শেখপুর গ্রামে ২শ গরীব অসহায় মানুষের মাঝে এসব খাদ্য সামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করেন সাবেক মেম্বার স্থানীয় সালীশ ব্যাক্তিত্ব নুর আলম। ছাতক জনকল্যান সংগঠনের আহবায়ক ও সুনামগঞ্জ জেলা ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা গ্রীস প্রবাসি মাসুক মিয়ার উদোগে ও নিজ অর্থায়নে ১ হাজার ২৫০ কেজি চাল, ২০০ কেজি ডাল, ৪০০ কেজি আলু ও ১০০লিটার সোয়াবিন ‌তৈল বিতরন করা হয়। এসব খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ৬কেজি চাল, ২কেজি আলু, ৫০০গ্রাম ডাল ও ৫০০এমএল সোয়াবিন তৈল নিয়ে ১টি পেকেট তৈরী করে মোট ২০০শ টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এসময় ছৈলা আফজলাবাদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দিদার আলম, শাহ জাহান, আব্দুস শহিদ কালা, প্রবাসি মাসুক মিয়ার ভাই আশিকুর রহমান ও সাংবাদিক আতিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি


বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড স্থবির হওয়ার কারণে জেদ্দা ও পশ্চিমাঞ্চলে যে সকল প্রবাসী বাংলাদেশী চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন এবং প্রকৃতপক্ষে বিশেষ কষ্টের মধ্যে আছেন (বিশেষ করে কর্মহীন হয়ে পড়ায় প্রচন্ড আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন) তাদেরকে নিম্নলিখিতভাবে বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছেঃ

১। আপনার পাসপোর্ট কপি ও ইকামার কপি এবং টেলিফোন নম্বর দিয়ে কনস্যুলেট বরাবর সাহায্য চেয়ে আবেদন ইমেইল করুন; mission.jeddah@mofa.gov.bd

অথবা

২। হটলাইন নং 8002440051 এ (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত) কল করে আপনার পাসপোর্ট নং, ইকামা নং এবং টেলিফোন নং দিয়ে সাহায্যের জন্য বলুন।

অথবা

৩। কনস্যুলেটের অফিসিয়াল টেলিফোন নং 012-6878465, 012-6894712 ও 012-6817149 এ (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত) কল করে আপনার পাসপোর্ট নং, ইকামা নং এবং টেলিফোন নং দিয়ে সাহায্যের আবেদন জানান।

অথবা

৪। মোবাইল নং 055 3451 289 এর WhatsApp এ আপনার পাসপোর্ট ও ইকামার ছবি তুলে মেসেজ করুন (এই মোবাইল নম্বরে কোন কল গ্রহণ করা হবে না)।

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল
জেদ্দা, সৌদি আরব
চট্টগ্রাম নগরে ঢোকা ও বের হওয়া বন্ধ

চট্টগ্রাম নগরে ঢোকা ও বের হওয়া বন্ধ


আব্দুল করিম
চট্রগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান


চট্রগ্রাম নগরে প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।তিনি বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নগরে কেউ ঢুকতে পারবেন না, আবার বের হতে পারবেন না। তবে জরুরি সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রফতানি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন আওয়াতামুক্ত থাকবে। পুলিশ আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, নগরের পাঁচটি প্রবেশপথে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। সিটি গেট, অক্সিজেন মোড়, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, কালুরঘাট সেতু এবং শাহ আমানত সেতুর মুখে পুলিশ আজ নিরাপত্তা চৌকি বসিয়েছে। এই পাঁচটি পথ দিয়ে নগরে প্রবেশ ও বের।  প্রকোপ ঠেকাতে সিএমপি এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে নগরে সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল পুলিশ। সন্ধ্যার পর ওষুধের দোকান ছাড়া নগরের কোনো দোকানপাট ও বিপণিবিতান চালু রাখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।