Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Wednesday, 8 April 2020

করোনায় বেকার হবে ৩৩০ কোটি মানুষ, দেখা দেবে অস্থিরতা!

করোনায় বেকার হবে ৩৩০ কোটি মানুষ, দেখা দেবে অস্থিরতা!


ভয়াল করোনার তাণ্ডব চলছে বিশ্বজুড়ে। লকডাউন হয়ে গেছে অধিকাংশ দেশ ও শহর। বন্ধ হয়ে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতিতে করোনার যে বিরূপ প্রভাব পড়েছে, তাতে ৩৩০ কোটি কর্মক্ষম মানুষের আংশিক বা পুরোপুরি বেকার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।

জাতিসংঘের এই সহযোগী সংগঠন বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এমন সংকট বিশ্বে আর আসেনি। তবে বছরের শেষ ছয়মাসে অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়ালে এবং কার্যকর নীতিকৌশল অবলম্বন করা গেলে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

আইএলও বলেছে, যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে বৈশ্বিক কর্মক্ষম মানুষের ৮১ শতাংশ (৩৩০ কোটি) আংশিক বা পুরোপুরিভাবে বেকার হয়ে যেতে পারেন। অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী সাড়ে ৩৩০ কোটি মানুষের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গত বছর ডিসেম্বরে আড়াই কোটি মানুষের নতুন করে বেকার হয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল আইএলও। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কারণে সেই পূর্বাভাস আর টিকছে না।

ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বহু দেশে লকডাউন চলছে। মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ রয়েছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও। প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। উৎপাদনে যাচ্ছে না বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান। এই পরিস্থিতিতে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের আংশিক অথবা সম্পূর্ণভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিচ্ছে।

আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেছেন, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। উন্নত ও উন্নয়নশীল, দুই ধরনের দেশেই এ সংকট দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আমাদের সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নিলে হয়তো এ পতন থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

২০২০ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠানগুলো ৬ দশমিক ৭ শতাংশ কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছে আইএলও। এটি প্রায় ২০ কোটি পূর্ণকালীন কর্মজীবী মানুষের চাকরি হারানোর বাস্তবতা সৃষ্টি করবে। সবচেয়ে হুমকির মুখে পড়বে আরব অঞ্চলের দেশগুলো। এ অঞ্চলের ৫০ লাখ পূর্ণকালীন কর্মজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়তে পারেন। ফলে দেখা দিতে পারে অস্থিরতা।

সূত্র- আইএলও।

Tuesday, 7 April 2020

শুধু ‘মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ’ মাকিন্দে

শুধু ‘মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ’ মাকিন্দে


শুধু ‘মধু ও কালোজিরা’ খেয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন নাইজেরিয়ার ওয়ো রাজ্যের গভর্নর সেয়ী  মাকিন্দে। করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে ফিরে সোমবার (৬ এপ্রিল) এমনই তথ্য দিয়েছেন তিনি। 
করোনা আক্রান্ত থেকে সুস্থ হওয়া মাকিন্দে জানান, শুধু কালোজিরা আর মধু খেয়েই তিনি করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন। তিনি পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হওয়ার এক সপ্তাহে কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেন। 
প্রিমিয়াম টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাকিন্দে  টুইটারে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। ইবাদানের ফ্রেশ এফএম-এ এক অনুষ্ঠানের সময় টেলিফোন সাক্ষাত্কারে মি. মাকিন্দে বলেছিলেন যে তিনি মধু, ভিটামিন সি এবং ব্ল্যাকসিড অয়েল ব্যবহার করেছেন।
মাকিন্দে অনুষ্ঠানে বলেন, ওয়ো রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা বোর্ডের নির্বাহী সচিব ড. মাইদেন ওলাতুনজি আমার হাতে কালোজিরা তুলে দেন। তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে দেন তিনি। সেগুলো খেয়ে আমি এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পােই। 
করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি আইসোলেশন ছিলেন। করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। অবশেষে তিনি জয়ী হলেন। শুধু কালোজিরা আর মধু খেয়েই তিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। করোনার হাত থেকে বাঁচতে শরীরের ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার উপাদান আমাদের হাতেই রয়েছে।
মাকিন্দে আরো বলেন, কালোজিরা আর মধুর মিশ্রণটি সকালে একবার ও সন্ধ্যায় একবার খেতে বলেন মাইদেন। আমি সেই উপদেশ মেনে চলেছি। আমি এখন ঠিক আছি। সুস্থ অনুভব করছি। আমি এখন করোনা মুক্ত। আমি বলতে চাই, করোনার এই সময়ে আতঙ্কিত হলে চলবে না। চিকিৎসকের উপদেশ মেনে চললে অতি দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়। সুতরাং, অনাক্রম্যতা বাড়ানোর স্থানীয় সমাধান রয়েছে। আমাদের লোকদের হতাশ করা উচিত নয়। আমি যেমন আমার সিস্টেম থেকে ভাইরাসকে বের করতে সক্ষম হয়েছি, তেমনি এটি আমাদের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেও বের করা সম্ভব হবে।’
সূত্র: প্রিমিয়াম টাইমস

Thursday, 2 April 2020

যমদূত করোনায় অসহায় বিশ্ব, মৃত্যু ছাড়াল অর্ধ লাখ

যমদূত করোনায় অসহায় বিশ্ব, মৃত্যু ছাড়াল অর্ধ লাখ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মাত্র তিন মাসেই দুই শতাধিক দেশে প্রাণ কাড়ল অর্ধ লাখের বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার পর করোনায় মৃত্যু এবং সংক্রমণের এই চিত্র দেখা গেছে।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে করোনাভাইরাসের প্রথম উপস্থিতি নিশ্চিত হয় কর্তৃপক্ষ। চীনে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ৩ হাজার ৩১৮ জনের প্রাণ কাড়লেও বিশ্বজুড়ে সেই সংখ্যা ৪৭ হাজারের বেশি।
তিন মাসেই এই ভাইরাস ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর দূত হিসেবে পৌঁছে গেছে বিশ্বের সাত মহাদেশে। চীনে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এই ভাইরাসের তাণ্ডব চলছে সর্বত্রই। ভাইরাসের প্রাণকেন্দ্র উহান এখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলেও এই মুহূর্তে করোনার নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের অন্তত পাঁচটি দেশ।
চীনে সংক্রমণ শুরু হওয়া এই ভাইরাসে অসুস্থ হয়েছিলেন ৮১ হাজার ৫৮৯ জন। কিন্তু আমেরিকায় ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রথম এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার পর এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৭৮ জনে। মৃত্যুতে চীনকে ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র; দেশটিতে প্রাণ গেছে ৫ হাজার ৩৩৪ জনের।
তবে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস দুঃখের দামামা হয়ে হাজির হয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালিতে। এই দেশটি এখন মৃত্যুপরীতে পরিণত হয়ে টিকে থাকার লড়াই করছে করোনার সঙ্গে। আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পেছনে থাকলেও ইতালিতে লাশের সারি বিশ্বের শীর্ষে। দেশটিতে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১৩ হাজার ৯১৫ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ২৪২ জন।
দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হলেও চিকিৎসকরা প্রাণপন লড়ে যাচ্ছেন করোনার বিরুদ্ধে। সেখানকার চিকিৎসকরা রোগীদের বেছে বেছে চিকিৎসা দেয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন। করোনার কাছে অসহায় বয়স্কদের রেখে তরুণ এবং কম বয়সীদের বাঁচানোর মতো নির্মম পথ বেছে নিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
ইতালির পর ইউরোপের আরেক দেশ স্পেনে মৃত্যুদূত করোনাকে কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। প্রতিদিনই আগের দিনের মৃত্যু এবং সংক্রমণের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে স্পেন। স্পেনে করোনার কাছে হার মেনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ১০ হাজার ৩ জন, আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ জন।
ইউরোপের উন্নত দেশগুলোর আরেকটি ফ্রান্সও করোনার কাছে অসহায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৪ হাজার ৩২ এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৮৯ জন।
ফ্রান্সের আরেক প্রতিবেশি জার্মানিও নাকানি-চুবানি খাচ্ছে করোনার কাছে। দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ৭২৮ ছুঁয়েছে। তবে ইউরোপের এই দেশটিতে মৃত্যুহার অন্য দেশগুলোর তুলনায় কিছুটা কম; এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৯৭ জন।
যুক্তরাজ্যেও করোনায় সংক্রমণ এবং মৃত্যু যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই ভাইরাস দেশটিতে আরও ৫৬৯ জনের প্রাণ কেড়েছে। যা এই মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় মোট প্রাণহানির সংখ্যা ২ হাজার ৯২১।
করোনার এই তাণ্ডব শুধু ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় থেমে নেই। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানেও করোনা যেন যমদূত হিসেবে হাজির হয়েছে। দেশটির প্রত্যেকটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে প্রাণ গেছে ৩ হাজার ১৬০ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ৪৬৮।
এছাড়াও এই ভাইরাস দুঃস্বপ্ন ডেকে এনেছে এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকার শত শত দেশে। যমদূত করোনার লড়াইয়ে একযোগে লড়ছে বিশ্ব। দেশে দেশে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন এবং ওষুধ তৈরির প্রচেষ্টা জারি রেখে

Monday, 30 March 2020

পরিকল্পনাহীন লকডাউনে ছন্নছাড়া ভারত

পরিকল্পনাহীন লকডাউনে ছন্নছাড়া ভারত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় ২১ দিন লকডাউন ঘোষণা করেছে ভারত। অনেকটা হুট করেই এ নির্দেশনা দেয়ায় বিপাকে পড়েছে দেশটির শত কোটি মানুষ। বিশেষ করে দিনমজুর, গৃহহীন ও দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুক্তভোগীদের অবস্থা খুবই করুণ। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া দেশ লকডাউন করায় মোদি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন অনেকেই।
গত ১০ দিনের মধ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দোদি দু’বার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। কিন্তু এর মধ্যে একবারও মানুষজন তাদের জরুরি চাহিদা কীভাবে মেটাবে তা পরিষ্কার করেননি তিনি।
সপ্তাহখানেক ধরেই ভারতে পথচারীদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটা, দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া, যানবাহনের টায়ার ফুটো করে দেয়ার অসংখ্য ছবি ও ভিডিও দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কিন্তু কলকারখানা বন্ধ করে দেয়ায় শহরগুলোতে আটকে পড়া লাখ লাখ অভিবাসী শ্রমিকের নিত্যপণ্যের জোগান বা ঘরে ফেরার বিষয়ে কোনও সুব্যবস্থা করা হয়নি। একারণে গাড়িঘোড়া না থাকায় বহু মানুষ শত শত কিলোমিটার হেঁটেই বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন।
ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রদেশে এমন এক অভিবাসী কর্মীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রণবীর সিং নামে ওই ব্যক্তি দিল্লির একটি রেস্টুরেন্ট কাজ করতেন। লকডাউনের কারণে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেন তিনি। গাড়ি না পেয়ে হেঁটেই ৩০০ কিলোমিটার পাড়ি দিচ্ছিলেন। কিন্তু ২০০ কিলোমিটার যাওয়ার পরেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে যান রণবীর এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
চরম দুর্দশা এইচআইভি আক্রান্তদের জন্যেও। ২০১৭ সালের হিসাবে, বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ এইডস আক্রান্ত দেশ ভারত। সেখানে অন্তত ২ কোটি ১৪ লাখ এইডস আক্রান্ত রোগী রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই নিম্নবিত্ত এবং নিয়মিত সরকারি হাসপাতালে গিয়ে অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) নেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে এখন থেরাপি নিতে যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই।
ভারতের সরকারি হিসাবে, দেশটির প্রায় ছয় থেকে আট শতাংশ মানুষ বিরল ও জটিল রোগে আক্রান্ত। হঠাৎ লকডাউনের কারণে তাদের অনেকেই প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র মজুত করতে পারেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়াও, দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় ছয় হাজার কিডনি, দেড় হাজার লিভার ও ২৫ হাজার কর্নিয়াল ট্রান্সপ্লান্ট (প্রতিস্থান) হয়। আছে হৃদপিন্ড ও ফুসফুস প্রতিস্থাপনও। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব অস্ত্রোপচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
জনস্বাস্থ্যকর্মী ও অল ইন্ডিয়া ড্রাগ অ্যাকশন নেটওয়ার্কের সহ-আহ্বায়ক মালিনী আইসোলা বলেন, ‘আমরা শিগগিরই একটি নন-কোভিড মানবিক সঙ্কটের মুখোমুখি হতে পারি, যদি সরকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারে; বিশেষ করে গুরুতর রোগীদের, যাদের স্থায়ী চিকিৎসা বা ওষুধ দরকার।’
তিনি বলেন, সুস্বাস্থ্য জনস্বাস্থ্য নীতিমালা অনুসারে সরকারকে বিশেষ গোষ্ঠীগুলোর চাহিদা পূরণে অধিক গুরুত্ব দেয়া উচিত। কারণ, দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে তারা আগে থেকেই ঝুঁকিতে রয়েছে। সেক্ষেত্রে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কঠোর নীতিমালা এবং অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

Sunday, 29 March 2020

২৪ ঘন্টায় ইতালি ও স্পেনে ১৩শ ৮০জনের মৃত্যু

২৪ ঘন্টায় ইতালি ও স্পেনে ১৩শ ৮০জনের মৃত্যু


মহামারী করোনা ভাইরাসে পাল্লা দিয়ে লাশের মিছিল বাড়ছেই ইতালি ও স্পেনে। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে দেশ দুটি। 
গত ২৪ ঘণ্টায় ইতালিতে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৭৫৬ জনের। আর স্পেনে মারা গেছে ৬২৪ জন। অর্থ্যাৎ গত ২৪ ঘন্টায় এ দেশ দুটোতে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৩শ ৮০জন।  এ নিয়ে ইতালিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৭শ ৭৯ জনের এবং স্পেনে ৬ হাজার ৬শ ৬ জনের। 
রোববার (২৯ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে বিশ্বের ২০২ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে গেছে কভিড-১৯। শুরুর দিকে চীনে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংখ্যা ছিল বেশি। দেশটি রাশ টেনে ধরতে সক্ষম হলেও ইউরোপের দেশগুলোতে ভয়ংকরভাবে ছড়িয়ে গেছে এ রোগ। 
করোনার থাবায় সৌদিতে আরো ৪ জনের মৃত্যু

করোনার থাবায় সৌদিতে আরো ৪ জনের মৃত্যু


করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সৌদি আরবে গত ২৯ মার্চ একদিনে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা কোন দেশের নাগরিক জানা যায় নি।
নতুন এই ৪ জনসহ করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ জনে।
করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরছেন ৬৬ জন।
এখনো হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ১৫ হাজারের চেয়ে বেশি।
নতুন করে আরো ৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
গত ২ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছে ১২৯৯ জন।
এদিকে, করোনাভাইরাস বিস্তার ঠেকাতে গত ২১ মার্চ সমগ্র সৌদি আরবজুড়ে রাত ৭ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত বিশেষ সন্ধ্যা কালীন কারফিউ জারি করে দেশটির সরকার।
করোনাভাইরাস আক্রান্ত সংখ্যা বাড়তে থাকলে সৌদির তিনটি বড় শহর রাজধানী রিয়াদ, পবিত্র মক্কা ও মদিনা কারফিউ পরিবর্তন করে বিকাল ৩ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত করা হয়।
২৮ মার্চ পবিত্র নগর মদিনার অধিকাংশ এলাকা অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষনা করে।
সর্বশেষ, সৌদির বাণিজ্যিক রাজধানী জেদ্দা গত ২৯ মার্চ বিকাল ৩ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত লক ডাউন ও কিছু এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষণ করা হয়।
গত ১৬ই মার্চ থেকে সরকারী অফিস আদালত পরবর্তী ১৬ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এবং ২১ মার্চ হতে সৌদি আরবে সকল প্রকার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট, বাস-ট্রেন এবং ভাড়ায় চালিত ট্যাক্সি পরবর্তী ১৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। যা এখন বাড়িয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তবে, একজন বাংলাদেশী মহিলা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেলেও নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া যায় নি।
সূত্র সিবিএন  
ইসরায়েলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, প্রাণহানি ১২

ইসরায়েলে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, প্রাণহানি ১২


সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এরই মধ্যে ইসরায়েলে ৩ হাজার ৮৬৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়েছন ৮৯ জন। দেশটিতে মারা গেছেন ১২ জন। 
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজন ইসরায়েলি পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছে ৬৬ জন। পশ্চিম তীরে ৯৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। শুধু গাজায় ৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে আক্রান্ত প্রথম দুজন সম্প্রতি পাকিস্তান ভ্রমণ করেছিলেন।
 এদিকে রোববার (২৯ মার্চ) রাত পর্যন্ত লকডাউন জারি করেছে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী। করোনা আতঙ্কে কোয়ারেন্টাইনে আছেন দেশের ১০ হাজার মানুষ। এছাড়া করোনা মোকাবিলায় স্কুল, কলেজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিনোদনমূলক প্রতিষ্ঠান ও যেকোনো প্রকার জনসমাগমের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরায়েল সরকার।
বিকাল ৩ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত জেদ্দায় কারফিউ

বিকাল ৩ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত জেদ্দায় কারফিউ


বিশ্ব কাঁপানো করোনা ভাইরাস হু হু করে বাড়াছে মধ্যপ্রাচ্য দেশ সৌদি আরবে।
এ করোনা বিস্তার ঠেকাতে গত ২১ মার্চ সমাগ্র সৌদি আরব জুড়ে রাত ৭টা থেকে সপরের দিন কাল ৬ টা পর্যন্ত বিশেষ সন্ধ্যাকালীন কারফিউ জারি করে
সৌদি সরকার।
করোনাভাইরাস আক্রান্ত সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলে সৌদির তিনটি বড় সিটি শহর রাজধানী রিয়াদ, পবিত্র মক্কা ও মদিনা কারফিউ পরিবর্জন করে বিকাল ৩ টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত করে বাকী আগের টাইমে বহাল রাখেন।
পরে গত ২৮ মার্চ পবিত্র নগর মদিনার অধিকাংশ এলাকা অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষণা করে।
সর্বশেষ, সৌদি আরবের বাণিজ্যিক রাজধানী জেদ্দা আজ বিকাল ৩-টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত লক ডাউন করে কিছু এলাকা অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ ঘোষনা করেন।
সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় আজ রবিবার থেকে জেদ্দায় কারফিউ সময় পরিবর্তন করেছে। এখন সন্ধ্যা ৭ টার পরিবর্তে বিকেল ৩ টা থেকে শুরু হয়ে পরদিন সকাল ৬ টা পর্যন্ত করা হয়েছে।
জেদ্দা শহর থেকে কেউ বাহির যেতে পারবে না এবং কেউ প্রবেশ ও করতে পারবে না।
ঘরে থাকুন, করোনা ও জেল-জরিমানা থেকে নিরাপদ থাকুন।
সূত্রঃ সিবিএন 
এই প্রথম বিড়ালের শরীরে মিললো করোনাভাইরাস!

এই প্রথম বিড়ালের শরীরে মিললো করোনাভাইরাস!


অনলাইন ডেস্ক : বেলজিয়ামে এবার পোষ্য বিড়ালের শরীরেও মিলল করোনাভাইরাস! পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সত্যিই বিড়ালটি কোভিড-১৯ আক্রান্ত কি না, গবেষকেরা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেননি।
বিড়ালের করোনা সংক্রমণের এই ঘটনাটি ঘটেছে লিয়েজ প্রদেশে। ডায়েরিয়া, শ্বাসকষ্ট-সহ করোনাভাইরাসের সব লক্ষণই দেখা যায় বিড়ালটির মধ্যে। পশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে, ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানান, পোষ্যটি করোনায় আক্রান্ত। খোঁজ নিয়ে পশু হাসপাতালের ডাক্তাররা জানতে পারেন, ওই পোষ্যের মালিকও দিন কয়েক ধরে করোনায় আক্রান্ত। মালিকের থেকেই ভাইরাসটি পোষ্যয় ছড়িয়েছে বলে ডাক্তাররা মনে করছেন। বিড়ালের মুখ থেকে তাঁরা করোনার জীবাণুও পান। আক্রান্ত বিড়লটিকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তারা। বিশ্বে এটাই প্রথম বিড়ালের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা।
পশুচিকিৎসকরা বলছেন, মালিকের থেকেই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে।
এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দৃঢ়়তার সঙ্গে জানায়, কুকুর, বিড়াল বা অন্য কোনও পোষ্য থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর প্রমাণ নেই।

Saturday, 28 March 2020

যে কারণে স্পেনে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা

যে কারণে স্পেনে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা


অনলাইন  ডেস্ক:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ফলে ১৪ মার্চ জাতীয় জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে প্রত্যেক রাতে দেশটির নাগরিকরা চিকিৎসাকর্মীদের সরব সমর্থন জানিয়ে আসছেন। প্রত্যাশার এই চিত্র মহামারির যন্ত্রণা থেকে তাদের মুক্তি দিতে খুব কমই কাজে লেগেছে। শুক্রবার দেশটিতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে, একদিনে মারা গেছেন ৭৬৯ জন। এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজারের কাছাকাছি।
বৃহস্পতিবার রেকর্ড সংখ্যক ৮ হাজার ৫৭৮ জন আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছিল। যদিও শুক্রবার তা কিছু কমে ৭ হাজার ৮৭১ জনে নেমে এসেছে। কিন্তু উভয় সংখ্যাই মাত্র এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ভয়াবহ খারাপ। তখন দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮৩৩ জন।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আশঙ্কার জায়গা হলো ইতালিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্তের হার ৮ শতাংশ হলেও শুক্রবার পর্যন্ত স্পেনে এই হার ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
স্পেনে করোনার সংক্রমণ এতো দ্রুতো হওয়ার পেছনে দেশটির সংবাদমাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতির কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। দেশটির বিশ্লেষকরা এটিকে সম্ভাব্য একটি কারণ হিসেবে স্বীকার করলেও আরও বেশ কিছু বিষয়ের কথা বলছেন।
ইউনিভার্সিটি অব নাভারার জনস্বাস্থ্য ও প্রতিরোধমূলক ওষুধ বিভাগের অধ্যাপক সিলভিয়া কার্লোস বলেন, বুধবার পর্যন্ত ইউরোপের সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল কোভিড-১৯ এর প্রভাব দেশগুলোর প্রস্তুতি ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার উপর নির্ভরশীল বলে জানিয়েছে। স্পেনে যেমন দ্রুত বিস্তার ঘটছে এমন ক্ষেত্রে জনবল ও সরঞ্জাম ঠেকানোর নিশ্চয়তা দেয় না। প্রভাব আরও গুরুতর হয়। এর ফলে সমাজের ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে মৃত্যু হয় বেশি। বিশেষ করে যখন চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতরাই আক্রান্ত হয়ে পড়েন।
বুধবার স্পেনের মেডিক্যাল ইউনিয়ন দেশটির সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন জানিয়েছে। এতে যতদ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী প্রদানের নির্দেশ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণ স্পেনের একটি হাসপাতালের চিকিৎসক বলেন, সাধারণভাবে মানুষ লকডাউন মেনে চলছে এবং ছোটখাটো অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে আসছেন না। এতে করে সংক্রমণের ঝুঁকি কমছে। কিন্তু হাসপাতালগুলোতে স্যানিটারি সামগ্রীর ঘাটতি রয়েছে করোনার মতো সংকট মোকাবিলার জন্য। যার ফলে স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং এটি বড় বিষয়। সূত্র: আল জাজিরা

Friday, 27 March 2020

ভারতীয় গায়িকার সংস্পর্শে করোনায় আক্রান্ত প্রিন্স চার্লস!

ভারতীয় গায়িকার সংস্পর্শে করোনায় আক্রান্ত প্রিন্স চার্লস!


অনলাইন ডেস্ক : বলিউড গায়িকা কণিকা কাপুরের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রিটেনের রাজপরিবারের অন্যতম সদস্য প্রিন্স চার্লসের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর ফলাও করে প্রচার করে গণমাধ্যম।
শোনা যাচ্ছে, ‘বেবি ডল’খ্যাত এই সংগীতশিল্পীর সংস্পর্শে এসেই নাকি প্রিন্স চার্লস করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন!
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেই ছবিতে একটি পার্টিতে প্রিন্স চার্লস ও কণিকা কাপুরকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে।
আর এই ছবি দেখেই নেটিজেনরা ধারণা করছেন, গায়িকা কণিকার কারণেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রিন্স চার্লস।
তবে কণিকার সংস্পর্শে এসে প্রিন্স চার্লস আক্রান্ত হয়েছেন বলে যে খবর বের হয়েছে, তা ভুয়া বলে জানিয়েছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
তাদের দাবি, গায়িকা কণিকা কাপুর এবং চার্লসের এই ছবি অনেক পুরনো। বর্তমানে দুজনেই করোনা সংক্রমিত হওয়ায় ভাইরাল হয়েছে ওই ছবি।
প্রসঙ্গত জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ লন্ডন থেকে লখনৌতে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে আসেন গায়িকা কণিকা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছেও তিনি কোনো রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে অস্বীকার করেন এবং তার লন্ডন ভ্রমণের কথা চেপেও যান।
শুধু তাই নয়, ওই দিনই একটি পাঁচতারকা হোটেলে ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে পার্টিরও আয়োজন করেছিলেন কণিকা। কণিকার বন্ধুরা ছাড়াও ওই পার্টিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও উচ্চপদস্থ আমলাসহ প্রায় ৩৫০ অতিথি যোগ দিয়েছিলেন।
ওই পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন রাজস্থানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে ও তার পুত্র বিজেপির সংসদ সদস্য দুষ্মন্ত সিংহ। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মন্ত্রিসভার মন্ত্রী জয়প্রতাপ সিং।
কণিকার নৈশপার্টিতে যাওয়া অনেকেই নিজের ইচ্ছায় কোয়ারেন্টিনে গেছেন।
এ ঘটনায় কণিকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। বর্তমানে লখনৌতে চিকিৎসাধীন এ গায়িকা। আর প্রিন্স চার্লসও স্কটল্যান্ডের প্যালেসে আইসোলেশনে চিকিৎসার মধ্যে রয়েছেন।
সৌদি আরব সরকার নিঃশর্তে কাফালা পরিবর্তনের অনুমোদন

সৌদি আরব সরকার নিঃশর্তে কাফালা পরিবর্তনের অনুমোদন

উন্নত বিশ্বের প্রথম সারির দেশ ও সবচেয়ে বেশি শ্রম বাজার হিসাবে পরিচিত মধ্যপ্রাচ্য সৌদি আরবে বিদেশী কর্মীদের কোন রকম শর্ত ছাড়াই বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানে কাফালা পরিবর্তন করার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সৌদি আরব সরকারের সর্বোচ্চ র্নীতিনির্ধারণ ফোরাম থেকে অনুমোদনের পর সরকারের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় থেকে আজ এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পৃথিবী জুড়ে আতংকিত ও প্রাণঘাতী রোগ করোনভাইরাস পরিস্থিতিতে নতুন যে ব্যবস্থাটি চালু করা হয়েছিল তা এখন থেকে “আজির হায়ারিং” পোর্টালের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে। এ পোর্টালটি যেকোন বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকারী এবং কর্মচারীদের চুক্তি সম্পর্কে দেখাশোনা করে।
সৌদিতে কাফালা পরিবর্তন এর নিঃশর্ত অনুমোদন
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ধরণ ছাড়াই বিদেশী কর্মীদের কাফালা (স্পনসরশিপ পরিবর্তন) করে নিতে পারবে। অর্থাৎ এক পেশার লোক অন্য পেশাতে কাজ করতে না পারার বিধিনিষেদধটিতে সাময়িকভাবে শিথিলতা দেয়া হয়েছে।
চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত একাধিক উদ্যোগের মধ্য এটি উল্লেখযোগ্য, কারণ এই উদ্যোগের ফলে এখন থেকে কর্মীদের কাজ করা আরো সহজ হয়ে যাবে, সেই সাথে শ্রমবাজারের জনবল থেকে বাজার অর্থনীতির উপকৃত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সৌদি মন্ত্রণালয় আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল আজির প্রোগ্রামের মাধ্যমে শ্রমবাজার থেকে লোক নেয়া শুরু হবে। এতে করে শ্রমিকের অভাবে আর্থিক ক্ষতিতে পরা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারবে। এতে করে অসংখ্য শ্রমিকদেরও নতুন করে কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
সৌদি মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হচ্ছে বর্তমান মেয়াদে জনশক্তির উচ্চ চাহিদা অর্জনকারী খাতগুলোতে প্রয়োজন অনুসারে পর্যাপ্ত পরিমানে বিদেশী কর্মী সরবরাহ করা। জনবলের উচ্চ চাহিদা রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানে বিদেশী শ্রমিকদের কাজে নিযুক্ত করা। চাহিদা অনুযায়ী বিদেশী শ্রমিক সরবরাহ করার মাধ্যমে এখন থেকে শ্রমিক এবং প্রতিষ্ঠান দুজনেই লাভবান হবেন।এছাড়া স্পনসরশিপ পরিবর্তনে সৌদি সরকার তাদের পূর্বের অনেক শর্ত শিথিল করেছে। শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র এবং কাজের ধরন যদি একই রকমের হয়, সেক্ষেত্রে নতুন কোন প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মরত মোট শ্রমিকদের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ কর্মচারী সেখানে নতুন করে নিয়োগ দিতে পারবেন।