নিজস্ব প্রতিনিধি, ঈদগাঁও, কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বংকিম বাজারে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক ব্যবসায়ী ও দুই কর্মচারীর কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ২ হাজার টাকা ও দামী মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ১১ মার্চ রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে বংকিম বাজার এলাকায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িত ২ ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক পরের দিন আরও একজনকে আটক করা হয় ঐ সময় নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি ডিসকভার মডেলের মোটরসাইকেল জব্দ করেন।
আটককৃতরা হল জালালাবাদ ইউনিয়নের ছাতিপাড়া এলাকার আবদুল হাই মেম্বারের ছেলে ইমাম হোসেন, জালালাবাদ হিন্দু পাড়া এলাকার কেছ্ব দে’র ছেলে নীরব কান্তি দে প্রকাশ দালাল নিরব ও একই এলাকার রাজু কান্তি দে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। পরের দিন ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তির দায়ের করা মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,
ঘটনার সময় জালালাবাদ ছাতি পাড়া এলাকার মৃত জাফর আলমের দোকানের কর্মচারী মোস্তফা নামের এক ছেলে
ঘটনার সময় জালালাবাদ ছাতি পাড়া এলাকার মৃত জাফর আলমের দোকানের কর্মচারী মোস্তফা নামের এক ছেলে
চৌফলদন্ডী বাজারে ব্রয়লার মুরগী সরবরাহ করে আমদানি বাবদ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত মুরগী বোঝাই ভ্যান চালিয়ে কর্মস্থলে ফিরছিল। প্রতিমধ্যে বংকিম বাজারের পশ্চিমে জনৈক ব্যক্তির করাত কলের সামনে সংকেত দেয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা।সংকেত অমান্য করে তাদের কবল থেকে বাঁচিয়ে আসতে দ্রুত গাড়ী চালিয়ে বংকিম বাজার চলে আসে মোস্তফা। সে সময় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা কর্মচারী মোস্তফার পিছু নেয়। এক পর্যায়ে ভ্যান গাড়ী থামিয়ে উপর্যপুরী মারধর করে তার পকেটে থাকা ৩৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়। পরে এক দোকানদারের মোবাইল থেকে মোস্তফা তার মালিক গিয়াস উদ্দিনকে অবগত করলে অপর এক ভাইকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দোকান মালিক। তারা ঐ সময় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের অবস্থান, পরিচয়, ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাওয়ার সময় দ্বিতীয় দফা হামলা করে তাদের পকেটে থাকা ৫০ ও ১৭ হাজার টাকা এবং দামী একটি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়। তাদের শোর চিৎকারে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং লোকজন এগিয়ে আসলে পালিয়ে যান ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। পরে স্থানীয় লোকজন মারফত খবর পেয়ে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে এস আই জালাল আহমদ ভুঁইয়া, এএসআই বিলাস সরকার, মহি উদ্দীন, দেলোয়ারসহ একদল ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে অভিযান চালিয়ে নিরব কান্তি দে ও রাজু কান্তি দে’কে আটক করেন। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ইমাম হোসেনকে পরের দিন সকালে আটক করা হয়৷সে সময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ ও নগদ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন জানান, ছিনতাই কাজে ধৃত তিনজনসহ ইমাম হোসেনের ভাগিনা মাহবুবুল আলমের ছেলে শাহিন, তার বন্ধু সওদাগর পাড়া এলাকার শাহজাহানের ছেলে ইয়াছিনসহ আরো কয়েকজন জড়িত আছে।
ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে এবং ছিনতাই হওয়া টাকা থেকে প্রায় অর্ধেক উদ্ধার ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন জানান, ছিনতাই কাজে ধৃত তিনজনসহ ইমাম হোসেনের ভাগিনা মাহবুবুল আলমের ছেলে শাহিন, তার বন্ধু সওদাগর পাড়া এলাকার শাহজাহানের ছেলে ইয়াছিনসহ আরো কয়েকজন জড়িত আছে।
ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়। পরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে এবং ছিনতাই হওয়া টাকা থেকে প্রায় অর্ধেক উদ্ধার ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সূত্রঃ ঈদগাঁহ নিউজ


0 coment rios: