জীবন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত ঈদগাঁও ইসলামাবাদ এলাকাবাসী
মোঃ কাওছার ঊদ্দীন শরীফ কক্সবাজার।
কক্সবাজার সদর উপজেলা ৩নং ইসলামাবাদ ইউনিয়ন ঈদগাঁও টু গোমাতলী কবি নূরুল হুদা সড়কের বাশঘাটা এলাকায় অংশের বাঁধ ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হওয়ার আশংকায় রয়েছে। ঐ সড়কে যাতায়াত করছে জীবন ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রছাত্রী সহ দুই ইউনিয়নের এলাকাবাসী। এবং সড়কটির ডেন পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে অবস্থিত ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও দেখা গিয়েছে। বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্টানটি। ঐ শিক্ষা প্রতিষ্টানে ১হাজার ঐদিক ছাত্রী রয়েছে। সড়কটি যদি ভেঙ্গে যায়, তাহলে ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশংকায় রয়েছে। এছাড়া সড়কটি ভেঙ্গে গেলে পোক খালী ইউনিয়নের গোমাতলী, বাংলাবাজার টেকপাড়া ইছাখালী পাঁহাশিয়াখালী সিকদারপাড়া, হিন্দুপাড়া,বোয়ালখালী,সাতজোলাকাটা,হরিপুর ইউছুপেরখীলসহ কয়েকটি গ্রামের বিপুল পরিমাণ জনগোষ্টি বসবাস জীবন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত। জরুরী টেকসই বাঁধ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানালেন পথচারীসহ শিক্ষার্থীরা। উত্ত এলাকার বাসিন্দারা এই সড়কটি দিয়ে কক্সবাজার জেলার ককসবাজার সরকারী কলেজ, মহিলা কলেজ, সিটি কলেজ, রামু কলেজ ও ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা ও ঈদগাঁও ফরিদ আহমেদ ডিগ্রী কলেজে ও ঈদগাঁও আদর্শ শিক্ষা নিকেতন ও ঈদগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং আরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীরা সহ এলাকাবাসী জীবন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়ত করে আসছে দীর্ঘদিন।
শনিবার ৭ (সেপ্টেম্বর) সকালে যাতায়াত করা পথচারীসহ শিক্ষার্থীরা দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তা পত্রিকার সংবাদিক মোঃ কাওছার ঊদ্দীন শরীফ প্রতিবেদনে জানায়, গতবর্ষার সময় এই অংশটি ভেঙে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। মানুষের বসতভিটাতে নদীর পানি ঢুকে পড়েছিল অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের কারণে । ইসলামাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঈদগাঁও নদীতে একাধিক মেশিন বসিয়েছে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের মহোৎসব দেখা যেত। বালি খেকো সিন্ডিকেট ইসলামাবাদ ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকায় প্রবাহমান কয়েকটি ছড়া থেকে অবৈধ উপায়ে বালি উত্তোলন কাজ চলমান চালিয়ে যেত। যার ফলে বর্ষার সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে পানির ঢলের নিয়ে যায় কবি নূরুল হুদা সড়কটি যেকারণে বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে যাতায়াত আমাদের।
কয়েক অটোরিকসা চালকরা জানান, কবি নূরুল সড়কটি দিয়ে একবার গেলে দ্বিতীয়বার যাওয়ার মন চাইবেনা এমন অবস্থায় সড়কটির। সড়ক জুড়ে ডজনাধিকের মত বড় বড় গর্ত রয়েছে। যানবাহন গর্তে পড়লে ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
জাহানারা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জানান,দ্রুত সময়ে যদি বেঁড়ীবাধ সংস্কার না হয়,তাহলে এলাকার অপূরনীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। টেকসই বাঁধ নির্মান করে বিদ্যালয়সহ এলাকাবাসীকে রক্ষা করার আহবান জানান।
ইসলামাবাদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুর ছিদ্দিক জানান, বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করা হলে তারা এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পরেও অধ্যবদি পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি।


0 coment rios: