রাকিবুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে সুরক্ষার জন্য সামাজিক যোগাযোগ না করা, ঘনিষ্ট মেলামেশা থেকে বিরত থাকা, বাড়িতে অবস্থান করা, গণ-পরিবহনে একত্রিত হয়ে যাতায়াত না করা সহ সরকার ১০ দিনের ছুটি ও লক ডাউন ঘোষণা করেছে। কিন্তু গাইবান্ধায় পরিবহন যোগাযোগ এবং সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না।
জেলা শহরের ব্রীজ রোড থেকে দারিয়াপুর-লক্ষ্মীপুর, জেলা পরিষদের সম্মুখ থেকে নাকাইহাট সড়ক, বড় মসজিদের সম্মুখ থেকে ত্রিমোহিনী-বাদিয়াখালি-সাঘাটা-ফুলছড়ি, পুরাতন বাজারের গেট থেকে বালাসীঘাট-মদনেরপাড়া-কালিরবাজার সড়কে অটোবাইক, অটোরিক্সা, মিনি ট্রাক
ও বড় ট্রাক অবাধে যাতায়াত করছে। এ সমস্ত যানবাহনে গায়ের সাথে গা লাগিয়ে ভীড়ে ঠাসাঠাসি করে যাতায়াত করছে অসংখ্য মানুষ। অথচ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একজন মানুষের থেকে আরেকজন মানুষের দূরত্ব ৩ ফিট থাকার কথা। এমনকি দোকানে কেনাকাটা করতে গেলেও ৩ ফিট দূরত্বে লাইন করে দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করতে সরকারি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু উল্লেখিত সড়কগুলোতে অবাধে চলাচলকারি গণ-পরিবহনগুলোতে সেই নিয়ম একেবারেই মানা হচ্ছে না। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জেলা শহরের ব্রীজ রোড থেকে দারিয়াপুর-লক্ষ্মীপুর, জেলা পরিষদের সম্মুখ থেকে নাকাইহাট সড়ক, বড় মসজিদের সম্মুখ থেকে ত্রিমোহিনী-বাদিয়াখালি-সাঘাটা-ফুলছড়ি, পুরাতন বাজারের গেট থেকে বালাসীঘাট-মদনেরপাড়া-কালিরবাজার সড়কে অটোবাইক, অটোরিক্সা, মিনি ট্রাক
ও বড় ট্রাক অবাধে যাতায়াত করছে। এ সমস্ত যানবাহনে গায়ের সাথে গা লাগিয়ে ভীড়ে ঠাসাঠাসি করে যাতায়াত করছে অসংখ্য মানুষ। অথচ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে একজন মানুষের থেকে আরেকজন মানুষের দূরত্ব ৩ ফিট থাকার কথা। এমনকি দোকানে কেনাকাটা করতে গেলেও ৩ ফিট দূরত্বে লাইন করে দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করতে সরকারি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু উল্লেখিত সড়কগুলোতে অবাধে চলাচলকারি গণ-পরিবহনগুলোতে সেই নিয়ম একেবারেই মানা হচ্ছে না। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবার বাড়িতে থাকার জন্য বলা হলেও সে নির্দেশ অমান্য করে অনেক ব্যবসায়িরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্ধেক খোলা রেখে দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছে এবং প্রশাসনের চোখের আড়ালে বেচাকেনাও করছে। এ অবস্থা জেলা শহরের স্টেশন রোড ও সান্দারপট্টিসহ অন্যান্য এলাকাগুলোতেও পরিলক্ষিত হয়। গ্রামগঞ্জের হাটবাজার ও মোড়গুলোতে এক সাথে বসে আড্ডা দেয়া এবং খোলা রাখা চায়ের দোকানগুরোতে চা খাওয়ার প্রবণতা সর্বাধিক। ফলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েই যাচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রশাসনের নজরদাড়ি একান্ত অপরিহার্য বলে মনে করছেন সকলেই।


0 coment rios: