Sunday, 1 March 2020

বই মেলায় সাড়া জাগিয়েছে কক্সবাজারের নূরের প্রথম গল্পের বই "গল্পের শেষে তোমারই নাম"


আরিফ হোসাইন
ঢাবি প্রতিনিধি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী তরুণ লেখক নুরুল ইসলাম নূরের লেখা প্রথম গল্পের বই "গল্পের শেষ তোমারই নাম" ঢাকার অমর একুশে বই মেলায় পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। মেলায় আসার আগেই ফেসবুকের কল্যাণে বইটির বেশ প্রচার হয়েছে।

পরিলেখ প্রকাশনী থেকে বইটি প্রকাশ হয়েছে। নুরুল ইসলাম নূরের জন্ম কক্সবাজার জেলায়। ছোট বেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি ছিল তার যথেষ্ট আগ্রহ। তিনি একাধারে কবিতা, গল্প ও জাতীয় পত্রিকায় কলাম লিখেন।

পরিলেখ প্রকাশনীর পরিচালক ড. ফজলুল হক তুহিন বলেন, নূরের পান্ডুলিপিটা যখন আমার হাতে আসে তখন আমি পান্ডুলিপিটা সম্পূর্ণ পড়ি। পড়ে আমার বেশ ভালো লেগেছে, ছোট ছোট ৩৩টি লেখা সব লেখা শিক্ষণীয়।
বইটির গল্পগুলো আমাদের প্রেরণা জোগাবে। ভালো মানুষ হতে শেখাবে। বইটির প্রথম গল্পটা হচ্ছে আলোকিত মানুষ। গল্পটা পড়ে আমাদেরও এরকম আলোকিত মানুষ হওয়ার, মানবিক হওয়ার শিক্ষা দিবে। হতাশা বনাম স্বপ্ন জয় গল্পটি হতাশাগ্রস্থ মানুষকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা জোগাবে। হাদিসের ভাষ্যে লেখা শান্তির পায়রা, মৃত্যু যন্ত্রণা, দানশীলতার দৃষ্টান্ত ইত্যাদি গল্পগুলো চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্য গল্প গুলোতেও অসংখ্য কোরআন হাদিসের রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে। উপস্থাপনাও প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য।গল্পের শিক্ষাটা কাজে লাগাতে পারলে মানব জীবন সার্থক হয়ে উঠবে। নূর নতুন লেখক হিসেবে অনেক সাড়া পেয়েছে। গল্পের শেষ তোমারই নাম বইটি ৪০০ কপি প্রকাশ করেছিলাম, সব বই মেলায় শেষ হয়ে গেছে।

তরুণ লেখক নূর বলেন,
নতুন লেখক হিসেবে এভাবে সাড়া পাব তা কখনো কল্পনাও করিনি। প্রথম বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে পৃথিবীকে নতুনভাবে উঁকি দিয়ে দেখছি, যতক্ষণ পর্যন্ত বইটা প্রকাশ হয়নি ততক্ষণ পর্যন্ত বেশ উচ্ছাস, উদ্দীপনা কাজ করেছে৷ আর বইটা যখন প্রকাশ হয়েছে তখন নতুনভাবে আরো বেশি কাজ করার অনুপ্রেরণা পেলাম আর পাঠকদের ভালোবাসা আমাকে দ্বিগুণ উৎসাহিত করেছে।

তিনি আরো বলেন, একটি সুন্দর বই হচ্ছে একটি রহস্যময় সুন্দর ভুবনের দরজা। প্রতিটি পৃষ্ঠা মানুষকে সাহায্য করে রহস্যের জট খুলে কাহিনীর গভীরতায় টুকতে, শেখায় জীবনবোধ, সংগ্রাম, অনুপ্রেরণা। বই মানুষকে নিয়ে যায় সুদূর অতীতে এবং টাইম মেশিন ছাড়াই হাজার হাজার বছর সামনের ভবিষ্যতে।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: