কক্সবাজার সদর ঈদগাঁহতে বেড়েছে মাস্ক ব্যবহার , নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত দাম
সাইফুল ইসলাম(মারুফ)নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ
চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ৩ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দেশে করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ার পর দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় কক্সবাজার জেলার মানুষও প্রায় আতঙ্কিত। জেলার সর্বত্র বেড়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। হাঁচি-কাশিতে ছড়ানো এই রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় কক্সবাজার সদর ঈদগাঁহতেও মাস্ক ব্যবহার বেড়েছে হঠাৎ কয়েকগুণ। এই ভাইরাসের হাত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত করতে তারা মরিয়া হয়ে ছুটছেন ফার্মেসিসহ মাস্ক পাওয়া যায় এমন সব দোকানে। কেউ প্রত্যাশিত মাস্কটি পাচ্ছেন আবার কেউ পাচ্ছেন না। পেলেও সেটি কিনতে হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি দাম দিয়ে। সোমবার সকাল ও বিকেলে ঈদগাঁও বাসষ্টেশন এবং বাজার সহ বিভিন্ন গলিতে বেশ কয়েকটি দোকানে সরেজমিনে গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাস আতংককে ইস্যুকে করে এক শ্রেণির সুযোগ সন্ধানী মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ক্রেতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। প্রতিটি মাস্কের দাম দুই থেকে তিনগুণ বেশি রাখছেন তারা। আবার কেউ কেউ এক মাস্কের দাম নিচ্ছেন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্তও। যা আগে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ছিল। ঈদগাঁও ডিসি রোডে ভাসমান এক দোকানদার এই প্রতিবেদককে জানান, করোনাভাইরাস আতংকে মানুষের মাঝে মাস্ক ব্যবহারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই পাইকারী বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দেয়ায় খুচরা পর্যায়ে তাদেরও কিছুটা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঈদগাঁও ডিসির রোডে এক ফার্মেসি মালিক জানান- করোনাভাইরাস সংক্রান্ত উদ্বেগে বাজারে মাস্কের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আগে সার্জিক্যাল মাস্ক প্রতিটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হতো। এখন তা ৮০ থেকে ১২০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। এসময় একই স্থানে কথা হয় মামুন নামের এক ক্রেতার সাথে। তিনি জানান-করোনাভাইরাস আতংকে মাস্কতো ব্যবহার করতে হবেই। তাই দাম যাই হোক নিতে তো হচ্ছেই। জানতে পারি ১০-২০ টাকার একটি মাস্ক ১৫০ টাকা দামে পর্যন্ত বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। মাস্কের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঈদগাঁও বাজারে এখনও প্রশাসন অভিযানে নামেনি বলে জানান মাস্ক ক্রেতারা।


0 coment rios: