Tuesday, 4 February 2020

কক্সবাজার থেকে সেন্টমাটিন জাহাজ চলাচল নিয়ে প্রশাসন ও দৃষ্টি অাকর্ষণ করেন তানিম





গত কয়েকটদিন ধরে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল নিয়ে কক্সবাজারে সচেতন নাগরিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিম এর ফেসবুক আইডিতে পর পর দুইটি সচেতন মূলক পোস্ট করেন এই নিয়ে কক্সবাজার বিভিন্ন সচেতন নাগরিকের চিন্তা ধারণা।
এবং ওনার টাইম লাইনে দেওয়া স্ট্যাটাসটি তুলে ধরতেছি।

''টেকনাফ বা সেন্টমার্টিন যাতায়াতে স্হানীয় ও সকল পর্যটকদের বাই রোডে বিজিবি, পুলিশ সহ প্রশাসনের বেশ কিছু গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক যৌথভাবে অবৈধ মাদক চোরাচালান, ইয়াবা, অাগ্নেঅস্ত্র,মাদক মামলার গডফাদার অাসামীদের ধরতে বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্টে তল্লাশি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে সদ্য ককসবাজার শহরে নুনিয়া ছড়ার বাকখালীর নদীর তীরবর্তী বিডব্লিউটিএর জেটি ঘাট থেকে চালু হওয়া এমভি কর্ণফুলী জাহাজ প্রভাবশালী হওয়ায় তারা প্রশাসনের সম্পূর্ণ তল্লাশি বিহীন ভাবে টেকনাফ সেন্টমার্টিন থেকে সরাসরি কক্সবাজার শহর নুনিয়া ছড়ায় প্রবেশ করে।

যার মাধ্যমে ইয়াবার বড় চালান সহ মাদক কারবারীরা অবাধ ভাবে সারাদেশে চলাচল করার নতুন করে সুযোগ পেল।

বিষয়টি প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা সহ স্হানীয় সাংবাদিক ভাইদের নজরে কেন অাসছে না অামি বোধগম্য নই।

সবাই কেন নিরব?? প্রতিবাদ ও ক্ষোভ সব কি অামার একার??

কক্সবাজার বা এই প্রাণের মা- মাটির শহর শুধুই কি অামার??

প্রভাবশালী যতোই শক্তিধর হউক না কেন সত্যের পক্ষে অামার কলম চলবেই....

এবং তিরি আরেকটি স্ট্যাটাসট
শুনেছি কক্সবাজার টু সেন্টমার্টিন চলাচলের জাহাজ (এম ভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস) নাভিকের অবহেলার কারণে যাত্রার শুরুতেই সেন্টমার্টিন জেটির সাথে ধাক্কা লাগে।এক পর্যায়ে বর্তমানে সেন্টমার্টিনের জেটি বিধ্বস্ত অবস্থা।

অবিলম্বে সংস্কার করে দিতে কক্সবাজার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে।

কথা কি ঠিক না বেঠিক????

এছাড়াও জাহাজটি সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজার ফিরতে রাত ১২ টার কাছাকাছি পার হয় যা নিয়ে পর্যটক ও স্হানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।সময় লাগছে যেতে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা অার অাসতে একই সময় টোটাল ১০/১২ ঘন্টা জাহাজে সময় অতিবাহিত করছে অাগত পর্যটকরা।পর্যটকরা মনে করছেন এতো রাতে মাঝপথে বড় ধরনের যদি কোন অসুবিধা হলে কি হবে তা নিয়ে সংশয় যেন কাটছেই না।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: