Thursday, 30 January 2020

বায়েজিদে পাহাড় কেটে সিডিএর রাস্তা, ১০ কোটি টাকা জরিমানা

f

আব্দুল করিম চট্রগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

অনুমোদনের বাইরে পাহাড় কেটে চট্টগ্রামের বায়েজিদে লিংক রোড নির্মাণ করে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস ও জনজীবন ঝুঁকিতে ফেলায় ১০ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৩ টাকা জরিমানা গুণতে হচ্ছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ)। একই অপরাধে ২০১৭ সালের দিকে সর্তক করার পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ গুণেও থামেনি সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি। ফলে প্রকল্প শেষের দিকে এসে ২০২০ সালে এসেও বিপুল অংকের জরিমানা গুণতে হলো সিডিএকে।বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে শুনানি শেষে ১০ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৩ টাকা জরিমানা নির্ধারণ করেন মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক রুবিনা ফেরদৌসী।পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা ট্রাংক রোড থেকে বায়েজিদ বোস্তামী পর্যন্ত একটি লিংক রোড করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। প্রকল্পটি প্রায় শেষ পর্যায়ে। এজন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদনও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত ২৫ জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল ইসলাম প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে অনুমোদনের বাইরে পাহাড় কাটার প্রমাণ পান।ওইদিন তিনি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ঢাকায় শুনানিতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বুধবার শুনানি শেষে পাহাড় কেটে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, পাহাড়ের উপরিভাগের মাটি এবং ভূমির বাইন্ডি ক্যাপাসিটি নষ্টসহ পরিবেশ-প্রতিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করায় ১০ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৩ টাকা জরিমানা করা হয়।পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক আজাদুর রহমান মল্লিক জানান, প্রকল্প প্রস্তাবনায় যত ঘনফুট পাহাড় কাটার অনুমোদন তারা নিয়েছিল বাস্তবে তার থেকে ৬৯ হাজার ২১৯ দশমিক ৭০২ বর্গফুট বেশি কেটেছে। যে এঙ্গেলে কাটার কথা ছিল সেভাবে না কেটে ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে খাড়াভাবে কেটেছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধসে মানুষের জীবনহানি ঘটতে পারে। ২০১৭ সাল থেকেই তাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছিল। আগেও তাদেরকে সতর্ক করে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছিল। তারপরেও তারা থামেনি। এখন প্রকল্প প্রায় শেষের দিকে। তবে সিডিএর প্রকল্প পরিচালক জরিমানার টাকা পরিশোধে ১৫ দিন সময় চেয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে প্রকল্প পরিচালক সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীব দাস বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ এখনো শেষ হয়নি। জরিমানার বিরুদ্ধে আমরা আপিল করব।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: