Friday, 3 January 2020

পোকখালী টু গোমাতলী স্টিল ব্রিজটি সংস্কার ও ফাঁকা ব্রীজ স্থাপনের জোর দাবি এলাকাবাসীর


মোঃ আমির হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নে গোমাতলী সংযোগ ব্রীজের কয়েকটি পাটাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যহৃত হচ্ছে। গত ১ বছর ধরে ওই ব্রীজটির কয়েকটি লোহার পাটাতন ভেঙ্গে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ অবস্থায় যাতায়াতকারী যাত্রী সাধারণ ও পরিবহন চালক-শ্রমিকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শুক্কুরবার ৩ জানুয়ারী সরেজমিন সড়কের ওই ব্রীজ এলাকায় গেলে দুর্ভোগের এমনতর চিত্র দেখা যায়।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ব্রীজের একাধিক পাটাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি, অটোরিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও ভ্যানগাড়ীর মতো ছোট ছোট যানাহন চলাচল করছে। এতে যেকেনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বৃহত্তর গোমাতলী থেকে ঈদগাঁও-কক্সবাজার যাতায়াতের জন্য এ সড়কটি ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়াও লবণ মৎস্য চাষীরা এ সড়কে বেশি চলাচল করে থাকে।
ঝুঁকি নিয়ে চলাচলকারী ইজিবাইক চালক মনছুর মিয়া বলেন, এ রাস্তা দিয়ে লোকজন আনা নেয়া করে থাকি। বিকল্প রাস্তা না থাকায় পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়েই যাত্রী টানছি। ব্রীজের উপর দিয়া গেলে বুকটা কেঁপে উঠে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্রীজের পাটাতন ভাঙ্গা অংশে কোন প্রকার বিপজ্জনক সংকেত বা লাল নিশানা না থাকায় যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
তারা বলেন, রাতে ভাঙ্গা ব্রীজের আশপাশে বাতি বা আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই ব্রীজের ভাঙ্গা পাটাতনের ভেতর পড়ে যান।

এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত লবণ মাছ এ সড়কে পরিবহনে অবনর্ণীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, অসংখ্য যাত্রীবাহী ও মালবাহী গাড়ী চলাচল করে থাকে। স্হায়ী চেয়ারম্যান রফিক আহম্মদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান   স্টিল ব্রিজ হওয়াতে লবণের পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । প্রতিবছর স্টিলের পাটাতন দিয়ে সংস্কার করে ও বেশিদিন টিকসই হচ্ছে না বলে জানান তিনি। পাকা ব্রিজের জন্য প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে তিনি মনে করেন পাকা ব্রিজ ট্রেনডর হতে পারে। গোমাতলী এলাকাসহ পোকখালী সর্বস্হতরের মানুষের জোর দাবী একট পাকা ব্রিজ স্হাপন করার জন্য।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: