সাবরাং নয়াপাড়ার আবুল হাসেম প্রকাশ ভুলু সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে ইয়াবা বিক্রিসহ গুরুতর অভিযোগ।
বিশেষ প্রতিনিধি:
সাবরাং ইউপির অন্তর্গত নয়াপাড়ার প্রবাসী কট্রর বিএনপি নেতা মৃত সৈয়দ আহাম্মদের ছেলে আবুল হাসেম প্রকাশ ভুলু সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে তার ছেলেসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রিসহ আরো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার সিন্ডিকেটের মধ্যে যারা যারা জড়িত মোঃ সামশু(৬০) পিতা মৃত সৈয়দ আহাম্মদ, মোহাম্মদ শাহ জাহান(২২) পিতা আবুল হাসেম প্রকাশ ভুলু, মোঃ জনি(৩৫) পিতা অজ্ঞাত, মোঃ শাহ কামাল(১৯) পিতা আবুল হাসেম প্রকাশ ভুলু, মোঃ শফিক(২২) পিতা মোঃ মার্কিন সর্বসাং ঝিনা পাড়া, সৈয়দ নুর(৪০) পিতা কালা মিয়া, আব্দুল মাজেদ(৩০) পিতা কালা মিয়া, কালা মিয়া(৬০) পিতা অজ্ঞাত, সর্বসাং পুরান পাড়া সাবরাং ইউপি। উক্ত সিন্ডিকেটটি এলাকায় ত্রাস চালানোর পাশাপাশি দেদারসে পাইকারী খুচরা ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। আরও জানা যায় এলাকায় সকলে মিলে ইয়াবা ব্যবসা থেকে শুরু করে সকল অবৈধ কাজ করে সেগুলো আবার নিরীহ মানুষের ঘাড়ে পৌছে দেওয়ার চেস্টা করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অনেকে জানায় তারা ইয়াবা নাকি তাদের জমিতে রাখার পর অন্যের জমিতেও জোরপূর্বক রাখার চেস্টা করে। এতে বাধা দিলে তারা এলাকার নিরীহ লোকদেরকে মেরে ফেলার ও মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়। যার ফলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে মামলার তথা নিজের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে বলে জানায়। জানা যায় সম্প্রতি কয়েকদিন আগে পুলিশ প্রবাসী কট্রর বিএনপি নেতা আবুল হাসেম প্রকাশ ভুলুর বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে তার ঘরবাড়ি ভেঙ্গে দেয়। যা সকলে জানে। তারপরেও কাল অবৈধ টাকার লোভে তারা মানুষকে মানুষ মনে না করে হয়রানী নির্যাতন করে আসছে। সর্বশেষ তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে ওই নিরীহ লোকজন তাদের নামে টেকনাফ মডেল থানায় জিডি করেন। যার জিডি নাম্বার হল ৫৪০। সর্বশেষ বর্ণিত ব্যক্তিদের অন্যায়ের প্রতিবাদের কারণে ২১ আগস্ট সকাল ১২টায় ওরা ঝিনা পাড়ার বাসিন্দা মৃত সৈয়দ মেম্বারের বাড়ীতে অস্ত্র, দা-কিরিচ দিয়ে তান্ডব চালিয়ে বাড়ীর নিরীহ লোকদেরকে বাহির থেকে আটক করে রাখে। পরে টেকনাফ মডেল থানাকে অবগত করলে এসআই স্বপন দাশের নের্তৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগ সেক্রেটারি নুর হোসেন ও উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সোলতান মাহমুদের সহযোগিতায় আটক সকলকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে এলাকার নিরীহ লোকজন তাদের কাল টাকা তথা নির্যাতন থেকে বাচতে ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাননীয় সাংসদ, মাননীয় জেলা প্রশাসক, মাননীয় পুলিশ সুপার, মাননীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, মাননীয় ইউএনও, মাননীয় মডেল থানার ওসি, মাননীয় বিজিবির সিও, মাননীয় র্যাব ইনচার্জসহ সকল প্রশাসনসহ কর্মরত সাংবাদিক ভাইদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অবশেষে টেকনাফ মডেল থানার সুযোগ্য ওসি, অপরাধীদের আতঙ্ক প্রদীপ কুমার দাশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোন ইয়াবা ব্যবসায়ীদের স্থান টেকনাফের বুকে হবেনা। ইয়াবা ব্যবসায়ী ও অপরাধী যেই হোকনা কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে বিন্দুমাত্রও ছাড় দেওয়া হবেনা।


0 coment rios: