Wednesday, 28 August 2019

রানুকে ৫৫ লাখ রুপির বাড়ি উপহার দিলেন সালমান!


কলকাতার রানাঘাট রেলস্টেশনের ভবঘুরে গায়িকা থেকে সোজা জাতীয় পর্যায়ের গায়িকা। রানু মণ্ডলকে এখন ভারতবাসী তো বটেই, উপমহাদেশের অসংখ্য মানুষ চেনেন। তাঁর সুরেলা কণ্ঠে মুগ্ধ সবাই। আর এর সবই সম্ভব হয়েছে তাঁর অসাধারণ প্রতিভার দরুন। এরই মধ্যে অন্তর্জাল তারকা বনে গেছেন রানু।
এবার নতুন খবর, আরো একবার বড় হৃদয়ের পরিচয় দিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। এমনিই তো আর তাঁকে সবাই ‘বিগ হার্টেট’ বলে না। প্রতিবেদন জানাচ্ছে, রানু মণ্ডলকে ৫৫ লাখ রুপি দামের একটি বাড়ি উপহার দিয়েছেন সালমান।
দৈনিক জাগরণ পত্রিকার বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আর সবার মতোই রানু মণ্ডলের জাদুকরি কণ্ঠে মুগ্ধ হয়েছেন সালমান খান। আর তাই তাঁকে ৫৫ লাখ রুপি দামের একটি বাড়ি উপহার দিয়েছেন ভাইজান। যদিও সালমানের পক্ষ থেকে এখনো এ খবর নিশ্চিত করা হয়নি।প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে, আসন্ন ‘দাবাং থ্রি’ ছবির জন্য রানুর একটি গান রেকর্ড করার পরিকল্পনা করছেন সালমান।এরই মধ্যে ভারতের জনপ্রিয় সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার পরবর্তী ছবি ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হীর’-এর জন্য গান গেয়েছেন রানু। ছবিটিতে রানুর ‘তেরি মেরি কাহানি’ গানটি প্রদর্শিত হবে। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রানুর রেকর্ডিংয়ের ভিডিও শেয়ার দিয়েছেন হিমেশ।
কলকাতার রানাঘাট স্টেশনে ছিল ভবঘুরে জীবন, আর ভিক্ষাবৃত্তি করেই জীবন চলত রানু মণ্ডলের। তবে ভীষণ ভালো গাইতে পারেন তিনি। ব্যতিক্রমী গায়কি ও অসাধারণ পরিবেশনার মাধ্যমে এরই মধ্যে জয় করেছেন অসংখ্য মানুষের মন। বলা চলে, তাঁর সুরেলা কণ্ঠে এখন বুঁদ গোটা ভারত। বিভিন্ন স্থান থেকে পাচ্ছেন গান গাওয়ার নিমন্ত্রণ।
মেয়েরা বিয়ের পর মাকে একা রেখে চলে গিয়েছিল। সেই রানু মণ্ডলের গাওয়া লতা মঙ্গেশকরের এক পেয়ার কা নাগমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর খুলে যায় ভাগ্য। রাতারাতি তারকা বনে যান স্টেশনের রানু। এর পরই মেয়েরা ফিরে এসেছে তাঁর কাছে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সৌন্দর্যসেবাকেন্দ্রে। চুল স্ট্রেট করা হয়। কালো রং করা হয়, পরানো হয় দামি শাড়ি।এ ছাড়া বলিউড অভিনেতা ঋষি কাপুরের ‘সরগম’ ছবির বিখ্যাত গান ‘ডফলি ওয়ালে ডফলি বাজা’ গেয়েছেন রানু মণ্ডল। সেই ভিডিও এখন অন্তর্জালে হাত ঘুরছে।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: